১০ মাসে হাজারের বেশি ধর্ষণ, ৬৯৫ জনকে হত্যা

এ বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১০২২ জন। এদের মধ্যে ৩৬২ জন নারী ও ৬৬০ জন কন্যাশিশু। ৬৯৫ জন নারী ও কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫০২ জন নারী ও ১৯৩ জন কন্যাশিশু। একই সময়ের মধ্যে আত্মহত্যা করেছেন ৫৯০ জন।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর)  জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি।

এডুকোর (এডুকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন) সহায়তায় ৭০টি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং ২৮টি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এই তালিকা তৈরি করেছে তারা।

অ্যাডভোকেসি ফোরামের তথ্যানুযায়ী, পারিবারিক সহিংসতার শিকার ১৭৯ জন নারী ও ২০ কন্যাশিশু। পাচার ও কিডন্যাপের শিকার ৩২ নারী ও ১৩৬  কন্যাশিশু। ধর্ষণের শিকার ১০২২ জনের মধ্যে ৩৬২ জন নারী ও ৬৬০ জন কন্যাশিশু। একইসঙ্গে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল আরও ৫৩ জন নারী ও ১৩৬ কন্যাশিশুকে। ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছেন ১৩ জন নারী ও ৩৪ জন কন্যাশিশু।

যৌন হয়রানীর শিকার হয়েছেন মোট ৩৫২ জন। যার মধ্যে ৯৬ জন নারী ও ২৫৬ জন কন্যাশিশু।

অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি বলেন, “স্বাধীনতার ৫২ বছরে নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে কাঙ্ক্ষিত অর্জন নিশ্চিত হয়নি। নারী ও কন্যাশিশুদের এখনো বঞ্চনা-বৈষম্য ও নিপীড়ন থেকে মুক্তি ঘটেনি। সহিংসতা যেন ক্রমাগত বাড়ছে। পরিবারে, সামাজিক পরিসরে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, যানবাহনে-কোথাও নারী ও কন্যাশিশুরা নিরাপদ নয়।”