ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালনে ৮৩৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে দায়িত্ব পালনের জন্য ৮৩৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৫ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পাওয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন। তারা ৪ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে যোগদান করবেন। এর আগে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আচরণবিধি দেখার পাশাপাশি দায়িত্ব পাওয়া নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ, মোবাইল কোর্ট এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স বিশেষ করে বিজিবি, কোস্টগার্ড ও সশস্ত্র বাহিনী টিমকে দিকনির্দেশনা দেবেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটের প্রচারণায় নামেন প্রার্থীরা। ইতোমধ্যে প্রায় ২৫টির বেশি আসনে প্রতিপক্ষের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, প্রচারে বাধা দেওয়া, মারধর, হামলা, সংঘর্ষ, সহিংসতার তথ্য নানা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া পিরোজপুর, মাদারীপুর ও বরিশালে তিনজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।

আগামী ৭ জানুয়ারি হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট। ভোটের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়েছে ১৫ নভেম্বরের পর। ওইদিন দ্বাদশ সংসদের তফসিল ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। আগামী ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন তারা।

বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর বর্জনের ভোটে মাঠে রয়েছে ২৭টি দল। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর এখন পর্যন্ত ২৭টি দলের ১,৫১৩ জন ও স্বতন্ত্র ৩৮২ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। এই ১,৮৯৫ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। আদালতের আদেশে আরও কিছু প্রার্থী যুক্ত হতে পারেন।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য ও রাজনৈতিক ধারাভাষ্যকারদের মতে, এবার ভোটের ময়দানে প্রায় দেড়শোটির বেশি আসনে “হাড্ডাহাড্ডি” লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের মাঠ সামলাতে আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে মাঠপর্যায়ে কাজ করবে সেনাবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনী। তারা রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকায় নির্বাহী হাকিমের সঙ্গে মাঠে কাজ করবেন।