রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক নবজাতককে রেখে পালিয়ে গেছেন দম্পতি। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নবজাতকের ভর্তির কাগজ আনার কথা বলে তারা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নবজাতকের জন্মগত ত্রুটি শনাক্ত করে। এরপর সার্জারির মাধ্যমে ত্রুটি সারানো হয়। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহামদ ঘটনার সত্যতা ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “শনিবার দিবাগত রাতে হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের নার্স ডেস্কের সামনে ওই বাচ্চাকে রেখে যাওয়া হয়েছিল। উদ্ধার শিশুটির জন্মগত ত্রুটি পাওয়া যায়। শিশুটির পায়খানার রাস্তা বন্ধ ছিল। সার্জারি করে সেটি ঠিক করা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ আছে।”
তিনি আরও জানান, শিশুটির অভিভাবক পাওয়া না যাওয়ায় আদালতের মাধ্যমে ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে বাচ্চাটি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে সেখানে পাঠানো হবে।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “ওই দিনই থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) হয়েছিল। নবজাতককে ফেলে যাওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। আদালত নবজাতককে ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বাচ্চা সুস্থ হলে সেখানে পাঠানো হবে।”
সমাজসেবা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, পিতৃ-মাতৃ পরিচয়হীন ০-৭ বছর বয়সী পরিত্যক্ত বা পাচার থেকে উদ্ধার হওয়া শিশুদের ছোটমণি নিবাসে লালন-পালন করা হয়।