বিশ্ব সুখ দিবস আজ, সুখী দেশের তালিকায় ১১ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

“সবাই তো সুখী হতে চায় তবু কেউ সুখী হয়, কেউ হয়না। জানিনা বলে যা লোকে সত্যি কি-না. .  .।” লোকে যাই বলুক না কে, সবাই যে সুখী হতে চায় সেটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।  

সুখী হতে আমরা সবাই চাই। কিন্তু আদতে সুখ বলতে আমরা ঠিক কি বুঝি আর কীভাবেই বা সুখী হওয়া যায় সেটা অনেকের কাছেই অজানা।

সুখ বা মানসিক প্রশান্তির অর্থ একেকজনের কাছে একেকরকম। কিছু মানুষের কাছে দৈনন্দিন জীবনে ভালো কিছু অভিজ্ঞতাই তার কাছে সুখের অনুভূতি। আবার অনেকের কাছে নিজের মনের চাহিদাগুলো পূরণ হওয়াই তাদের কাছে সুখ।

তবে সুখের সংখ্যা যেরকমই হোক না কেন, আজ বুধবার (২০ মার্চ) আন্তর্জাতিক সুখ দিবস বা বিশ্ব সুখী দিবস। ২০১২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এক অধিবেশনে এ দিনটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর বিশ্বের একাধিক দেশ দিবসটি নানা আয়োজনে পালন করে।

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের প্রস্তাবে বলা হয় মানুষের জীবনের মূল উদ্দেশ্য সুখে থাকা। ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণসহ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য দিবসটি পালন করা হবে।

এদিকে, প্রতিবছর এ দিবসের প্রাক্কালে সুখী দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। সেই ধারবাহিকতায় এবারও প্রকাশ করা হয়েছে “ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৪”।

তালিকায় টানা সপ্তমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে নাম উঠে এসেছে ফিনল্যান্ডের। তবে সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান পিছিয়েছে। আর তালিকায় একেবারে তলানিতে রয়েছে আফগানিস্তান।

জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত জরিপ প্রতিবেদনে ১৪৩টি দেশকেঅন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ রয়েছে ১২৯তম অবস্থানে। গত বছর এ অবস্থান ছিল ১১৮। সেই হিসেবে এ বছর বাংলাদেশের অবস্থান ১১ ধাপ পিছিয়েছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ ছিল তালিকার ৯৪ নম্বরে।

এ বছরের তালিকায় যথারীতি ওপরের দিকে রয়েছে নরডিক অঞ্চলের দেশগুলো। প্রথম পাঁচটি সুখী দেশের মধ্যে রয়েছে এ অঞ্চলের আরও তিনটি দেশ ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড ও সুইডেন। এসব দেশের অবস্থান যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ। এছাড়া সুখী দেশ হিসেবে পাঁচ নম্বরে রয়েছে ইসরায়েলের নাম।