সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের “সর্বাত্মক অসহযোগ” কর্মসূচির প্রথম দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার রবিবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শরীফ মাহমুদ অপু এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মহানগরসহ সব বিভাগীয় সদর, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, শিল্পাঞ্চল, জেলা সদর ও উপজেলা সদরে সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হলো।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে গত ১৯ জুলাই কারফিউ জারি করে সরকার। এরপর ধাপে ধাপে বিভিন্ন জেলায় শিথিল রাখা হয়। সবশেষ ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে কোটা আন্দোলকারীদের বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সরকার পদত্যাগের এক দফা ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে আজ থেকে দেশজুড়ে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা।
এরপর শনিবার রাতে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছিলেন, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অর্থাৎ ১৫ ঘণ্টা কারফিউ শিথিল থাকবে। অন্যান্য জেলায় স্থানীয় প্রশাসন কারফিউর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে, রবিবার ফের সহিংসতার পর জাতীয় নিরপত্তা কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর কারফিউর বিষয়ে নতুন এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলো।