ইজতেমা ময়দানে চায়ের কেটলির গরম পানিতে পুড়ে আহত হয়েছেন চার মুসল্লি। তাদের মধ্যে গুরুতর হয়েছেন একজন। আহতদের শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে মুসুল্লিরা হইহুল্লোড় করে বের হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঢাকা ট্রিবিউনকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন।
আহত মুসল্লিরা হলেন- বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার অলিদা বাগান গ্রামের আমজাদ সরকারের ছেলে জুয়েল (২৫), নাটোরের ফজলুর রহমানের ছেলে সোহেল (৩০), ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার জাবেদ আলীর ছেলে ফজল হক (৩৪) ও জামালপুরের আব্বাস আলী সরকারের ছেলে মোজাফফর আলী সরকার (৪৪)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আখেরি মোনাজাতের পর মুসল্লিরা ময়দান থেকে বের হওয়ার সময় অসাবধানতাবশত ইজতেমার ৪ নম্বর গেটের ভেতরে চায়ের কেটলির গরম পানি পড়ে যায়। এ সময় পানি ছিটকে চার মুসুল্লি আহত হন। তাদের মধ্যে মুসুল্লি জুয়েলের ডান পায়ে চায়ের কেটলি পড়ে হাঁটুর নিচের অংশ ঝলসে যায়। তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
টঙ্গী শহীদ আহসানের মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক শাকিল বিন সিরাজ জানান, গুরুতর আহত জুয়েলকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করা হয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন জানান, আখেরি মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা তাড়াহুড়ো করে ময়দান থেকে বের হওয়ার সময় অসাবধানতাবশত এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত জুয়েলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।