প্রশ্নফাঁস রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, দুর্ভোগ নিরসন, ৪৫তম বিসিএস থেকে ভাইভায় ১০০ নম্বর বরাদ্দ, ক্যাডার পুনর্নির্বাচনের সুযোগ প্রদান, নন-ক্যাডার পদ বৃদ্ধি, ভাইভাতে উত্তীর্ণ সবার জন্য চাকরি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন একদল চাকরিপ্রার্থী।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ এবং জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানান তারা।
দাবি আদায়ে বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনশন কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
তবে বৃহস্পতিবার চাকরিপ্রার্থীরা কোথায় অনশনে বসবেন সেটি এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
আন্দোলকারী চাকরিপ্রার্থী মো. সিরাজুস সালেহীন অনশন কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে রাতের মধ্যেই তারা অনশনের স্থান জানাবেন। তবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অথবা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই অনশন কর্মসূচি পালন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও, চাকরিপ্রার্থীরা উত্তরপত্র মূল্যায়ন দ্রুততর করা, নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এজন্য দ্রুত একটি অধ্যাদেশ জারি করে কমিশন সদস্য সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ করার দাবি জানিয়েছেন।
এদিন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
তিনি জানান, পিএসসি সংস্কারের পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থীদের উত্থাপিত দাবিগুলো মানতে হবে। অন্যথায়, তারা রাস্তা ছাড়বেন না।
তিনি বলেন, "আমরা ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। তবুও, পিএসসি সংস্কার করা হয়নি। অনেক রাজনৈতিক দল সংস্কারের কথা বলে। কিন্তু কেউ বেকারদের কথা বলতে চায় না।”