দেশে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সর্বশেষ ত্রৈমাসিক শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে দেশের বেকারত্বের হার বেড়ে ৪.৬৩% পৌঁছেছে।
রবিবার (১৮ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত ত্রৈমাসিক শ্রমশক্তি জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, আগের অর্থবছরের একই সময়ে বেকারত্বের হার ছিল ৩.৯৫%। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে (প্রথম প্রান্তিক) বেকারত্বের হার ছিল ৪.৪৯%।
শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য বলছে, ডিসেম্বর শেষে ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী দেশের বেকার জনগোষ্ঠী বেড়ে ২৭ লাখ ৩০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ২৪ লাখ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে বেকার বেড়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, ১৩তম আইসিএলএসে ডিসেম্বর শেষে দেশের বেকারত্বের হার ৩.৬৯%। আগের বছরের একই সময়ে এ হার ছিল ৩.২০%।
পুরনো হিসাব অনুযায়ী, দেশে বেকারের সংখ্যা বর্তমানে ২৬ লাখ ১০ হাজার, আগের বছরের একই সময়ে এ হার ছিল ২৩ লাখ ৫০ হাজার। এ হিসাবেও বেকারের সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৬ হাজার।
বেকারত্ব বাড়ার কারণ হিসেবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশ না থাকা ও ব্যাংক ঋণের সুদের হার বেশি হওয়ায় বেকারত্ব বেড়েছে।
বিবিএসের সংজ্ঞা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বেকার জনগোষ্ঠী মূলত তারাই, যারা গত সাত দিনে কমপক্ষে এক ঘণ্টাও কোনো কাজ করেনি, কিন্তু কাজ করার জন্য গত সাতদিন ও আগামী দুই সপ্তাহের জন্য প্রস্তুত ছিলেন এবং গত ৩০ দিনে বেতন বা মজুরির বা মুনাফার বিনিময়ে কোনো না কোনো কাজ খুঁজেছেন।