কাঠমান্ডুগামী বিমানের ফ্লাইটে বোমাতঙ্কে তল্লাশি

উড়োজাহাজে বোমা থাকার খবরে উড্ডয়নের ঠিক আগ মুহূর্তে থামানো হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুগামী একটি ফ্লাইট।

বিমানের ফ্লাইট বিজি ৩৭৩-এ বোমা রাখা আছে দাবি করে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারে (এটিসি টাওয়ার) ফোন করেন।

শুক্রবার (১১ জুলাই) বিকেলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওই ঘটনার পর বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজটিতে বোমার খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়।

বিকেলে উড়ো ফোন পাওয়ার পর উড়োজাহাজের সব যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। উড়োজাহাজটিতে ১৪২ জন যাত্রী এবং সাতজন ক্রু ছিলেন।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এ বি এম রওশন কবীর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ফ্লাইটটির পৌনে ৫টায় ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। যাত্রী ওঠার পর উড়োজাহাজটি যাত্রা শুরু করছিল। উড্ডয়নের আগ মুহূর্তে কন্ট্রোল টাওয়ারে একটি বেনামি ফোন আসে। বলা হয়, ফ্লাইটে একটি বোমা ওঠানো হয়েছে। এরপর দ্রুত উড়োজাহাজটির উড্ডয়ন বাতিল করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সবার আগে তাদের উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে লাউঞ্জে স্থানান্তর করা হয়। বিমানবন্দরের বোম ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত সেখানে গিয়ে তল্লাশি শুরু করে।”

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগীব সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “অজ্ঞাত ফোনকলের মাধ্যমে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাঠমান্ডুগামী ফ্লাইটটিতে বোমা থাকার আশঙ্কার কথা জানার পর জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিমান বাহিনীর টাস্ক ফোর্স ও এভসেক দ্রুত উড়োজাহাজের চারপাশে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিট ও এপিবিএনের ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থলে আসে।”

র‌্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে উড়োজাহাজের ভেতরে ও লাগেজ কম্পার্টমেন্ট পরীক্ষা করে বলে জানান তিনি।

তল্লাশি শেষে রাত পৌনে ৮টার দিকে বিমানের মহাব্যবস্থাপক রওশন কবীর সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজকে বলেন, “বিমানে কোনো বোমা বা এ ধরনের কিছুই পাওয়া যায়নি। এটি ছিলো ভুয়া কল। এখন যাত্রীদের বোর্ডিং করানো হচ্ছে, শেষ হলেই কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ফ্লাইটটি ছেড়ে যাবে।”