উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত দুই শিক্ষককে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সম্মাননার বিস্তারিত অতি দ্রুত নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকের শুরুতে দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়, তাদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
নিহত ব্যক্তিদের মাগফিরাত কামনা করে ও আহত ব্যক্তিদের সুস্থতা কামনা করে আগামীকাল শুক্রবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।
এর আগে, গত সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টা ৬ মিনিটে বীর উত্তম একে খন্দকার বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) একটি প্রশিক্ষণ বিমান উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়। এতে গতকাল সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। যদিও আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল। এরপর ওই দিন রাতে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। যে কারণে গণমাধ্যমে নিহতের সংখ্যা ৩২ উল্লেখ করা হয়েছিল। এর বেশির ভাগই শিশু।