দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদারে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জন্য বরাদ্দ সামান্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন অর্থবছরে দুদকের জন্য ১৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের মূল বরাদ্দের তুলনায় মাত্র ৬ কোটি টাকা বেশি। তবে সরকারি ও বেসরকারি খাতে চলমান দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো সুনির্দিষ্ট নতুন উদ্যোগ বা কর্মপরিকল্পনার উল্লেখ বাজেটে নেই।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, দুদকের পরিচালন ব্যয়ের জন্য ১৯৭ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংস্থাটির জন্য মূল বাজেটে ১৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, যা পরে সংশোধিত হয়ে ২০৩ কোটিতে উন্নীত হয়।
এদিকে, ৩ মার্চ থেকে দুদকের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কাঠামো “কমিশন” শূন্য রয়েছে। ফলে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে সংস্থাটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে আছে। ২০০৪ সালে দুদক প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম এত দীর্ঘ সময় কমিশন ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার ক্ষেত্রে দুদক সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অগ্রগতি অর্জন করলেও কমিশন না থাকায় তিন মাসে এসব কার্যক্রমের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য বর্তমান বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।