যুক্তরাজ্যের বাজারে ৯৯.৮% বাংলাদেশি পণ্য পাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর তিন বছরের ট্রানজিশনাল পিরিয়ডে ৯৯.৮ শতাংশ বাংলাদেশী পণ্য ব্রিটিশ বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার জেমস গোল্ডম্যান।

তিনি বলেন, “ট্রানজিশনাল পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরও প্রায় ৯২ শতাংশ বাংলাদেশী পণ্য এই শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে থাকবে।“

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় চেম্বারের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী আলী আহমেদ ও আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর এবং হাইকমিশনের ডাইরেক্টর অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সাকিব এরশাদসহ চেম্বারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গোল্ডম্যান জানান, ব্রিটিশ পণ্য, সেবা বা প্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের আর্থিক সহায়তা দিতে যুক্তরাজ্য সরকার ইতিমধ্যে দুই বিলিয়ন পাউন্ডের একটি তহবিল গঠন করেছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা যুক্তরাজ্যে তাদের পণ্যের বাজার আরও সম্প্রসারিত করতে পারবেন। যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশের খুঁটিনাটি বিষয়ে চেম্বার সদস্যদের অবহিত করতে শীঘ্রই চিটাগাং চেম্বারে একটি কর্মশালা আয়োজন করবে ব্রিটিশ হাইকমিশন।

সাক্ষাতে চেম্বার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, “দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হয়ে ওঠার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরসহ সামগ্রিক লজিস্টিক খাতে আরও বিনিয়োগ জরুরি।“ তিনি লালদিয়া টার্মিনালের মতো অন্যান্য বড় অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনায়, পাশাপাশি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনায়ও ব্রিটিশ বিনিয়োগের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এছাড়া চট্টগ্রামের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টিল, টেক্সটাইল ও গ্রিন এনার্জির মতো বড় শিল্প খাতে বিনিয়োগে ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।