যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলায় উৎপাদিত বাংলাদেশের পোশাক দেশটিতে রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় বিজিএমইএ।
যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে এ ব্যাপারে রাজি করাতে মার্কিন আইন প্রণেতাদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে সম্প্রতি চিঠি দিয়েছেন বিজিমএইএ সভাপতি ফারুক হাসান।
চিঠিটি হাউসের স্পিকার ও ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান কেভিন ম্যাকার্থি, জর্জিয়ার সিনেটর রাফেল ওয়ার্নক, আরকানসাসের গভর্নর সারাহ হাকাবি স্যান্ডার্স, আরকানসাসের সিনেটর টম কটন, ও জর্জিয়ার গভর্নর ব্রায়ান পি কেম্প।
চিঠিতে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশ সরকার গত ১৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশ বা অঞ্চল থেকে তুলা আমদানির বাধ্যতামূলক ফিউমিগেশন পরীক্ষার নিয়ম শিথিল করেছে।
তিনি বলেন, নিয়ম শিথিলকরণ অবশ্যই ব্যবসাকে সহজ করে তুলবে এবং মার্কিন তুলা আমদানির সময় ও খরচ কমিয়ে দেবে।
২০২২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ৯.৭৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে, যার মধ্যে ৬.৯১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পোশাক তুলা দিয়ে তৈরি।
এছাড়া তুলা দিয়ে তৈরি প্রায় ৭১% পোশাক পণ্য বাংলাদেশ থেকে আমদানি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশ থেকে ৯.৭৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানিতে মার্কিন আমদানিকারকদের ১.৫৫ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক দিতে হয়েছে।
চিঠিতে দেশের রপ্তানি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে পোশাক শিল্পের অবদানের পাশাপাশি বিদেশী বাজারে প্রবেশাধিকারের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরশীলতার কথা উল্লেখ করেন বিজিএমইএ নেতা।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তুলা দিয়ে তৈরি পোশাকের পণ্য বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেন।
ফারুক হাসান বলেন, মার্কিন তুলার তৈরি পোশাকের আইটেমগুলোতে শুল্কমুক্ত সুযোগ দেওয়া হলে তারা আরও সুযোগ খুঁজতে পারবে।