সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪,৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষকের কাউকেই বাদ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
রবিবার (৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
নিয়োগপত্র কবে দেওয়া হতে পারে, এমন প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন সরকার প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। তবে খুব শিগগির নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।”
শিক্ষামন্ত্রী জানান, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের পর প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) পাঠানো হতে পারে। সেখানে উত্তীর্ণ না হতে পারলে তারা শিক্ষক হতে পারবে না। এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দুই বছর সফলভাবে চাকরি করার পর শিক্ষকদের স্থায়ী করা হবে।
মামলার কারণে ৩২,৫০০ প্রধান শিক্ষক পদের নিয়োগ আটকে আছে। এই জটিলতা কাটিয়ে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া আরও ৩২,৫০০ শিক্ষক পরে নিয়োগ দিতে হবে ও প্রাথমিকে আরও প্রায় ১৫,০০০ পদ রয়েছে বলে জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সব মিলিয়ে সরকারি ব্যবস্থায় ৭৭,০০০ শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে এবং ৭,০০০ শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে।
উল্লেখ্য, ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’ এর আওতায় প্রার্থীদের সুপারিশ করা হয় ও গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। দুই মাসের বেশি সময় পার হলেও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় প্রার্থীরা গত ২৯ এপ্রিল আন্দোলন শুরু করেন।