এসএসসিতে বিগত বছরের তুলনায় পাসের হার কমলো প্রায় ৪ শতাংশ

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

সোমবার (১০ আগষ্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশে, যা গত বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কম। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাতেও এসেছে বড় পতন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন শিক্ষার্থী, গত বছর যা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন।

মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে সার্বিক গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী।

সকালে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে গতকাল রোববার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে আগামী ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২১ এপ্রিল, শেষ হয় ২০ মে। এরপর অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। দাখিল ও ভোকেশনাল শাখার তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে। সাধারণত তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের রেওয়াজ থাকলেও এবার তা সম্ভব হয়নি শিক্ষামন্ত্রী আগে ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা জানালেও শিক্ষা বোর্ডগুলো সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছিলেন মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং এসএসসি-দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন।