কিংবদন্তি পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক “মাইকেল” বিশ্বব্যাপী মুক্তির দিনে ঢাকায় স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শিত হচ্ছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সের আটটি শাখায় সিনেমাটি উপভোগ করতে পারছেন দর্শকরা।
বহুপ্রতিক্ষীত এই বায়োপিকে “জ্যাকসন-ফাইভ” এ মাইকেল জ্যাকসনের পথচলা থেকে শুরু করে তার বিশ্বতারকা হয়ে ওঠা, সবই উঠে এসেছে। একটা সময় “কিং অব পপ” হয়ে ওঠা এই মহাতারকার বিভিন্ন পারফরম্যান্স এবং তার জীবনের দ্বন্দ্ব-সংঘাতের গল্প ভক্তদের কাছে তুলে ধরতেই এই বায়োপিক নির্মিত হয়েছে।
জ্যাকসন এস্টেটের সহায়তায় নির্মিত সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে লায়ন্সগেট এবং জিকে ফিল্মস। সিনেমার নাম ভূমিকায় রয়েছেন মাইকেলের ভাতিজা জাফার জ্যাকসন। এটিই তার প্রথম সিনেমায় অভিনয়।
মাইকেলের বাবা জো জ্যাকসনের ভূমিকায় কোলম্যান ডমিঙ্গো এবং মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের ভূমিকায় নিয়া লং অভিনয় করেছেন। এছাড়া বিনোদন আইনজীবী জন ব্রাংকার ভূমিকায় মাইলস টেলার, সঙ্গীত প্রযোজক সুজান ডি পাসের ভূমিকায় লরা হ্যারিয়ার অভিনয় করেছেন।
মাইকেল জ্যাকসনের ভাইবোনের মধ্যে জার্মেইনের চরিত্রে জামাল আর. হেন্ডারসন, মার্লনের চরিত্রে ট্রে হর্টন, টিটোর চরিত্রে রায়ান হিল, জ্যাকির চরিত্রে জোসেফ ডেভিড-জোন্স এবং লা টয়ার চরিত্রে জেসিকা সুলা অভিনয় করেছেন। আর জ্যাকসন-ফাইভ যুগের তরুণ মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুলিয়ানো ভালদি।
সিনেমাটির নির্মাতা “ট্রেইনিং ডে”, “দ্য ইকুয়ালাইজার” খ্যাত পরিচালক অ্যান্টোইন ফুকুয়া। সিনেমার চিত্রনাট্য করেছেন “গ্লাডিয়েটর” ও “র্যাংগো” খ্যাত জন লোগান।
প্রসঙ্গত, ১৯৮২ সালে প্রকাশিত মাইকেল জ্যাকসনের ষষ্ঠ একক অ্যালবাম “থ্রিলার” বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। সেসময় থেকেই তাকে “কিং অব পপ” বলা শুরু হয়। দীর্ঘসময় ধরে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যবসাসফল গানের অ্যালবামের স্থানটি দখল করেছিল “থ্রিলার”। তাকে বলা হত সর্বপ্রথম কৃষ্ণাঙ্গ তারকা, যিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পেরেছিলেন। ২০০৯ সালের ২৫ জুন পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন মাইকেল জ্যাকসন।