দেশের একটি মাত্র প্রেক্ষাগৃহে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র “চিরঞ্জীব মুজিব” মুক্তি পেয়েছে শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর)। তাও সেটি রাজধানীতে নয়, বগুড়ার মধুবন সিনেমা হলে। ছবির সৃজনশীল পরিচালক জুয়েল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত ছবিটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ১৯৪৯ থেকে ১৯৫২ সাল উঠে আসবে। পরের সপ্তাহে ছবিটি বগুড়ার পাশাপাশি মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে গাজীপুর অথবা দিনাজপুরে। যা দুই এক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত করা হবে। দেশের বিভিন্ন জেলা ঘুরে “চিরঞ্জীব মুজিব” রাজধানীর প্রেক্ষাগৃহে ফিরবে নতুন বছরের ফেব্রুয়ারি নাগাদ।
“চিরঞ্জীব মুজিব” চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল। বেগম ফজিলাতুন্নেছার চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা এবং বঙ্গবন্ধুর বাবা ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে খায়রুল আলম সবুজ ও দিলারা জামান। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রয়াত এস এম মহসীন, নরেশ ভুঁইয়া, শতাব্দী ওয়াদুদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, আরমান পারভেজ মুরাদ, কায়েস চৌধুরী, আজাদ আবুল কালাম, সমু চৌধুরীসহ পাঁচ শতাধিক শিল্পী।
পরিচালক জুয়েল মাহমুদ বলেন, “দেশে প্রপারলি সিনেমা প্রদর্শনের মতো হল রয়েছে মাত্র ২২টি। আমরা এই সবগুলো হলেই সিনেমাটি দেখাতে চাই পর্যায়ক্রমে। আমরা চাই যখন যে প্রেক্ষাগৃহে যাবো, যেন সেই জেলার সিংহভাগ মানুষ ছবিটি দেখার সুযোগ পায়। সেই ভাবনা নিয়েই বগুড়া থেকে শুরু করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “পুরো দেশের শিক্ষার্থীদের আমরা ছবিটি ফ্রি দেখাতে চাই। বিপরীতে স্থানীয় রাজনীতিকসহ বিভিন্ন পেশার সংগঠনগুলোর সূত্র ধরে এই ছবিটি হলে এসে দেখার বিষয়ে আমরা কাজ করে চলেছি। বগুড়ায় আমরা প্রায় সব পেশার সংগঠন থেকে সাড়া পেয়েছি। ৮ দিনের শো এরমধ্যে বুকড। এভাবে আমরা দেশের প্রায় সবগুলো জেলা কাভার করতে চাই।”