ঈদ-উল-ফিতরে মুক্তি পেয়েছে ১১ সিনেমা। অল্প হল থাকায় কোন সিনেমা কয়টি সিনেমা হলে সুযোগ পাবে তা নিয়ে ছিল চিন্তা।
শেষ পর্যন্ত সুপারস্টার শাকিব খানের ‘‘রাজকুমার’’-সহ ‘‘কাজল রেখা’’, ‘‘ওমর’’, ‘‘দেয়ালের দেশ’’, ‘‘জীবন-২’’, ‘‘আহারে জীবন’’, ‘‘লিপস্টিক’’, ‘‘সোনার চর’’, ‘‘গ্রিন কার্ড’’, ‘‘মায়া: দ্য লাভ’’, ও ‘‘মেঘনা কন্যা’’-সহ মোট ১১টি ছবি পর্দায় এসেছে।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির তথ্য বলছে, শাকিব খান অভিনীত ‘‘রাজকুমার’’ রেকর্ড ১২৭টি হলে ও মাল্টিপ্লেক্স প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
এরপরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে শরিফুল রাজের ‘‘ওমর’’। এর মধ্যে ১৩টি একক এবং আটটি মাল্টিপ্লেক্স থিয়েটার। সাতটি মাল্টিপ্লেক্স প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘‘কাজল রেখা’’।
কয়েক দশক ধরে শাকিব খানের চলচ্চিত্রের সমার্থক হয়ে আসছে ঈদ। এটি একট সুপ্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য যে ঈদে তার সিনেমা বাজারে আধিপত্য বিস্তার করবে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। ‘‘রাজকুমার’’ ছবির মাধ্যমে ঢাকার ‘‘নবাব’’ একটি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে বিস্ময়করভাবে ১২৭টি স্ক্রিন পেয়েছে।
স্ক্রিনিংয়ের তালিকা প্রকাশ করে শাকিব খান তার ভক্ত দর্শকদের উদ্দেশে লিখেছেন, ‘‘আমি সবসময় চেষ্টা করি যাতে আপনারা সবাই আপনার পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং প্রিয়জনদের সাথে ঈদের সিনেমা উপভোগ করতে পারেন। আমি আমার দেশ ও বাংলা সিনেমার প্রতিনিধিত্ব করার চেষ্টা করি। আমার কাজের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মর্যাদা আনতে চাই। আপনাদের সীমাহীন ভালোবাসায় এই ঈদে ‘রাজকুমার’ ছবিটি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রদর্শিত হবে। আপনাদের স্নেহ ও আশীর্বাদ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।’’
অন্যদিকে, নওশাবা আহমেদ অভিনীত ‘‘মেঘনা কন্যা’’ পাঁচটি মাল্টিপ্লেক্স প্রেক্ষাগৃহে পর্দায় প্রদর্শিত হবে। জায়েদ খানের ‘‘সোনার চর’’ সিঙ্গেল ও মাল্টিপ্লেক্স মিলিয়ে সাতটি হলে মুক্তি পাবে। পাঁচটি মাল্টিপ্লেক্সে প্রিমিয়ার হবে ‘‘আহারে জীবন’’। দীর্ঘ বিরতির পর ফেরদৌস ও পূর্ণিমা আবার জুটি বেঁধেছেন এই ছবিতে।
কাজী মারুফ পরিচালিত ‘‘গ্রিন কার্ড’’ সিঙ্গেল ও মাল্টিপ্লেক্স সবমিলিয়ে পাঁচটি হলে প্রদর্শিত হবে। এছাড়া নবাগত সুপ্রভাতকে নিয়ে বানানো ‘‘জীবন-২’’ ছয়টি মাল্টিপ্লেক্স প্রেক্ষাগৃহে প্রিমিয়ার হবে। জিয়াউল রোশন ও শবনম বুবলী অভিনীত ‘‘মায়া: দ্য লাভ’’ সিঙ্গেল স্ক্রিন ও মাল্টিপ্লেক্সে সবমিলিয়ে নয়টি পর্দায় প্রদর্শিত হবে।