বয়স ৩০ পেরোলেই ছোটখাটো শারীরিক সমস্যা যেমন আগে দেখা দিয়েই আবার সেরেও যেত, এখন আর তা হয় না। ত্বক এখন আগের চেয়ে মলিন লাগে। চোখ-ঠোঁটের পাশে দেখা দিচ্ছে বলিরেখা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্কিনকেয়ারে নজর দেওয়ার জন্য সঠিক সময় এটিই। সংসার-কর্মক্ষেত্র সামলে সময় হাতে থাকেই না প্রায়। তাই রইলো একেবারে সহজ কিছু স্কিনকেয়ার টিপস।
সানস্ক্রিন বাদ দেবেন না
ব্যবহার করবেন এসপিএফ ৩০ বা এর চেয়ে বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন। এতে কেবল সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় তাই নয়, অকাল বার্ধক্য আটকাতে পারে সানস্ক্রিন।
প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার
ফেসওয়াশ কিংবা যে কোনো ক্লিনজার ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয়। তাই অবশ্যই ব্যবহার করুন ময়েশ্চারাইজার। টোনার, ফেস মাস্কের মতো স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট বাদ দিলেও চলে।
রাতে মেকআপ তুলুন
সারাদিন মুখে যে কোনো ধরনেরই মেক আপ থাকুক না কেন, রাতে ঘুমানোর আগে তা অবশ্যই তুলে ফেলতে হবে। এমনকী সামান্য কাজল চোখে নিয়ে ঘুমাতে যাওয়া নিরাপদ নয়।
খাবারের দিকে নজর
এই বয়সেই একে একে বাসা বাঁধে দীর্ঘস্থায়ী রোগ। তাই খাবারে কী কী থাকছে, সেদিকে নজর দিতে হবে। তেল-মশলা অথবা বাইরের খাবারের প্রভাব ত্বকেও পড়ে। তাই সেসব যথাসম্ভব কমানোই ভালো। খাবারে থাকতে হবে প্রোটিন ও ফাইবার। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। শরীরের অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন সবচাইতে জরুরি।
জরুরি পর্যাপ্ত ঘুম
নাহলে প্রত্যেকদিন সকালেই উঠে অবসন্ন লাগবে শরীর। এই বয়সে দায়িত্বের ভার প্রায় এড়াতে পারেন না কেউই। ঘুম কম হলে ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম না হলে, ত্বক নিস্তেজ লাগবেই। কেবলমাত্র প্রসাধনী ব্যবহার করে উজ্জ্বলতা ফেরানো যাবে না।
অতিরিক্ত চিনি ও ধূমপান বাদ
শুনতে অবাক লাগলেও এই দুই-ই একইভাবে ক্ষতি করে মানবশরীরের। তাই সচেতনভাবে রোজকার অভ্যেস থেকে তা বাদ দিতে হবে।
বয়স আটকানো যায় না। তবে তার জন্য সমস্ত ভোগান্তি ত্বকের কেন হবে? ছোট অভ্যাস বদলান, ফিরিয়ে আনুন ত্বকের নিজস্ব উজ্জ্বলতা।