বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিচ্ছেদের কারণ একতরফা হয়ে থাকে। কোনো একজনের সম্পর্কের থাকতে আর ভালো লাগছে না। হয়তো অন্যজন গুরুত্ব দিচ্ছে না, সম্পর্কে ‘‘স্পার্ক’’ হারিয়ে গিয়েছে। কিংবা দু’জনের মধ্যে আর ভালোবাসা নেই। সম্পর্ক ভাঙার অনেক কারণ থাকতে পারে। কিন্তু সমস্যা হলো, সামনের মানুষকে কষ্ট না দিয়ে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেওয়া।
একটা সম্পর্ক গড়ে তুলতে অনেক সময় লাগে, গুরুত্ব দিতে হয়। কিন্তু সম্পর্ক ভাঙতে এক মুহূর্তও লাগে না। তাই বিচ্ছেদ ঘটানোর আগে সব দিক বিবেচনা করা উচিত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বিচ্ছেদ করতে গিয়ে তুমুল অশান্তি বাঁধে। ঝগড়া, ঝামেলা, কান্নাকাটি করে সম্পর্ক ভাঙলেন। এতে কারওই লাভ হয় না। বরং ক্ষতি হয় উভয়েরই। তার চেয়ে শান্তিপূর্ণভাবে, একে-অন্যের প্রতি সম্মান বজায় রেখে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।
সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলা
বিচ্ছেদ করতে গিয়ে শুধু নিজের কথাটুকু বলে চলে যাওয়া চলবে না। সঙ্গীর কথাও শুনতে হবে। ব্রেকআপ করার আগে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলুন। তাকে আপনার অনুভূতি জানান। আপনি কী কারণে সম্পর্কটা আর চাইছেন না, সেটা বলুন। এতে সমাধান খুঁজে পেতে পারেন। আবার সঙ্গী আপনাকে বুঝে মিউচুয়ালি ব্রেকআপও করতে পারে।
তাড়াহুড়ো না করা
একটা সম্পর্ক গড়ে তুলতে কালঘাম ছুটে যায়। ছোট ছোট চেষ্টাগুলো সম্পর্কের ভিতকে মজবুত করে তোলে। সেখানে সম্পর্ক ভাঙতে দু’মিনিটও লাগে না। তাই ব্রেকআপ করার সময় সব দিকটা ভেবে নিন। সম্পর্ক ভাঙার ফলে কী-কী ঘটতে পারে, সেগুলো আগে বিবেচনা করুন। কোনো চিন্তাভাবনা ছাড়া হুট করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
ঝগড়া নয়
সে আপনার সঙ্গী। তার সঙ্গে আপনার অনেক ভালো-খারাপ মুহূর্ত কেটেছে। সুতরাং, ব্রেকআপের সময় তাকে অসম্মান করবেন না। এতে প্রাক্তন বেশি কষ্ট পাবে। কোনো ঝগড়া-ঝামেলার মধ্যে না গিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে ব্রেকআপ করার চেষ্টা করুন। তাকে সত্যি কথা বলুন। তার প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা বজায় রাখুন। এতে প্রাক্তনের ব্রেকআপের পর নিজেকে সামলাতে সুবিধা হবে।