ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ এ পর্যন্ত ৩,৭৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২০ জুলাই) মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এ কথা জানিয়েছেন।
ইরানে নতুন করে ভারী বোমাবর্ষণ শুরুর পর প্রথমবারের মতো তিনি কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের মুখোমুখি হন। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে নিতে জরুরি তহবিল চাইতে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি।
এদিকে, বিবিসি বলছে, হেগসেথ নিজের মন্ত্রণালয়ের জন্য কংগ্রেসে ৮৭ বিলিয়ন বা আট হাজার ৭০০ কোটি ডলার চেয়েছেন, যার মধ্যে ৬৭ বিলিয়ন বা ছয় হাজার ৭০০ কোটি ডলার বরাদ্দ থাকবে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য।
এসময় কংগ্রেস সদস্যরা, "ইরান ও ফিলিস্তিনে আমাদের সন্তানদের ওপর বোমা হামলা বন্ধ করো, বলে চিৎকার করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। এ নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টিকে কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়তে হতে পারে।
ইরানের ব্যয় কেমন
যুদ্ধে ইরানের ব্যয় কেমন হচ্ছে তা নিয়ে খুব বেশি পরিসংখ্যান দেখা যায় না। ইরান, নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরতে খুব বেশি আগ্রহী নয়। নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেন না তারা, তাদের অস্ত্রভাণ্ডার অক্ষত এবং নিরাপদে ভূগর্ভে সংরক্ষিত রয়েছে, এমন দাবি বরাবরের মতো করে আসছেন তারা।
ইসরায়েলের একটি নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থা–আলমা রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টার-এর হিসাব অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর সময় ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সংখ্যা ছিল ২,৫০০। গত মার্চে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে সংস্থাটি দাবি করে, সেইসময় ১,০০০-এ নেমে এসেছিল তাদের মজুদ ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা।
যদিও সেইসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, ইরানের মিসাইল শিল্প ও মজুদ প্রায় "সম্পূর্ণ ধ্বংস" হয়ে গেছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের ওই সময় সতর্কও করে দিতে দেখা যায়, তারা বলেন যে, ২০২৭ সালের মধ্যে ৮,০০০ ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করতে পারে ইরান। একই সময়ে রাশিয়া ও চীন মিসাইল আমদানি করতে পারে ইরান।