জার্মানিতে ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরির সুযোগ, আবেদন করতে পারবেন যারা

দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য জার্মানিতে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরির সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়াই-অ্যাক্সিসের পরিচালক ক্লিন্ট খান। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বর্তমানে প্রায় ৩০ লাখ চাকরি পূরণের প্রয়োজন রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি জার্মানিতে, যা ইইউর মোট চাহিদার প্রায় ২৫%।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে আয়োজিত গালফ নিউজ লেভেলআপ অনুষ্ঠানে এক ফায়ারসাইড চ্যাটে তিনি এসব কথা বলেন।

ক্লিন্ট খান বলেন, "বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যে সুযোগগুলো রয়েছে, সেখানে প্রায় ৩০ লাখ চাকরি পূরণ করা প্রয়োজন। এর মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি জার্মানিতে রয়েছে। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট চাহিদার প্রায় ২৫%, যা জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের চাহিদার ব্যাপকতা দেখায়।"

জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য অন্যতম সুযোগ হলো ‘অপরচুনিটি কার্ড’ বা ‘চান্সেনকার্টে’। এই চাকরি খোঁজার আবাসন অনুমতির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের নাগরিকরা আগে থেকে কোনো চাকরির চুক্তি না করেও সর্বোচ্চ ১২ মাস জার্মানিতে থেকে যোগ্য চাকরি খুঁজতে পারেন।

ক্লিন্ট খান বলেন, "অপরচুনিটি কার্ড আপনাকে জার্মানিতে গিয়ে চাকরি খোঁজার সুযোগ দেয়। শুরুতে আপনি খণ্ডকালীন কাজ করতে পারেন। পরে পূর্ণকালীন চাকরি পেলে এবং কোনো নিয়োগকর্তা আপনাকে স্পনসর করতে প্রস্তুত থাকলে উপযুক্ত ওয়ার্ক পারমিটে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।"

বিদেশে পড়াশোনা বা দীর্ঘমেয়াদি অভিবাসনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করার পরামর্শ দেন তিনি। তার মতে, কেউ যদি সত্যিই বিদেশে পড়াশোনা করতে চান, তাহলে তা ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে পড়াশোনাকে মূলত স্থায়ীভাবে বসবাসের পথ হিসেবে বেছে নিলে পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর কীভাবে সেখানে থাকা যাবে, সেটিও বিবেচনা করতে হবে।

ক্লিন্ট খান বলেন, ‘‘বিদেশে পড়াশোনা বা কাজের গন্তব্য বেছে নেওয়ার আগে নিজের লক্ষ্য, বাজেট, যোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। শুধু দেশ ছাড়ার সহজ পথ হিসেবে কোনো দেশে পড়তে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। কারণ, পড়াশোনা শেষ করার পর ওই দেশে কী ধরনের সুযোগ থাকবে, তা আগে বিবেচনা করা জরুরি।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘জার্মানির পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাতেও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য প্রতিষ্ঠিত অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার স্কিলড মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম এবং কানাডার ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রাম অন্যতম।’’