সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের বিরুদ্ধে সিনোফার্মের প্রোটিন-ভিত্তিক তৃতীয় ডোজ আগের দুই ডোজের থেকেও বেশি অ্যান্টিবডি রেসপন্স বা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত ওই গবেষণাটি এখনও পর্যন্ত পিয়ার রিভিউ বা পর্যালোচনা করা হয়নি।
ওমিক্রনের বিরুদ্ধে সিনোফার্মের বিবিআইবিপি-কর্ভ টিকার কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এসেছে এই গবেষণার ফলাফল। চীনের রপ্তানি করা শীর্ষ দুই কোভিড-১৯ টিকার মধ্যে এটি একটি।
এনভিএনআই-০৬-০৭ এর বুস্টারের প্রভাব কতক্ষণ স্থায়ী হবে, এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন সিনোফার্ম ও আবুধাবির শেখ খলিফা মেডিকেল সিটির গবেষকদের সঙ্গে ওই গবেষণাপত্রের লেখকরা।
এর একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, বিবিআইবিপি-কর্ভের বুস্টার ডোজ করোনাভাইরাসের পুরনো ধরনগুলোর তুলনায় ওমিক্রনের বিরুদ্ধে দুর্বল অ্যান্টিবডি প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। ওই সমীক্ষাটি চালানো হয়েছিল করোনাভাইরাসের উৎসস্থল চীনের উহান শহরে। গেল বছরের ডিসেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সিনোফার্মের প্রোটিন-ভিত্তিক এনভিএসআই-০৬-০৭ টিকা বুস্টার হিসেবে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই টিকাটি বিবিআইবিপি-কর্ভ টিকার চেয়ে ভিন্ন এক প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে।
তবে, বিবিআইবিপি-কর্ভ টিকার দুই ডোজের পর এনভিএনআই-০৬-০৭-এর বুস্টার ডোজ ওমিক্রন থেকে মানুষকে কতটা নিরাপদ রাখবে, সে ব্যাপারে অ্যান্টিবডিভিত্তিক ফলাফলগুলো এর কার্যকারিতার ফলাফল থেকে ভিন্ন। ১৯২ জন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে চালানো হয় এ গবেষণা। বিবিআইবিপি-কর্ভ টিকার দুই ডোজ গ্রহণের ছয় মাস বা তার বেশি সময় পরে যাদেরকে আবারও বিবিআইবিপি-কর্ভের তৃতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছিল, তাদের তুলনায় এনভিএনআই-০৬-০৭ টিকার বুস্টার ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে ওমিক্রনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি প্রতিক্রিয়া “উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি” ছিল।