সুদানে সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে লড়াইয়ে অন্তত ৫৬ জন বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৬০০ মানুষ। চিকিৎসকদের একটি সংগঠন জানিয়েছে, রাজধানী খার্তুমেই ১৭ বেসামরিক নাগরিকসহ ২৫ জন নিহত হয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা চালায় আরএসএফ। এর জেরে দেশটির সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আরএসএফের সংঘর্ষ বাধে।
সুদানের গণতন্ত্রে ফেরার একটি পরিকল্পনা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। শনিবার সে উত্তেজনা সংঘাতে রূপ নেয়।
সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ দুই পক্ষই দাবি করেছে, রাতভর লড়াইয়ের পর খার্তুমের বিমানবন্দর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
খার্তুম সংলগ্ন ওমদুরমান এবং নিকটবর্তী বাহরিতে রবিবার ভোরে ভারী কামানের শব্দ শোনা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা পোর্ট সুদানেও গোলাগুলির কথা জানিয়েছেন।
আরএসএফ-এর বিরুদ্ধে দেশটির বিমান বাহিনীও লড়াই করছে। সেনাবাহিনী বলছে, আরএসএফ ঘাঁটিতে ইতোমধ্যে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
২০২১ সালের অক্টোবরে একটি অভ্যুত্থানের পর থেকে সুদান শাসন করছে সেনাবাহিনী। যুদ্ধটি মূলত জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের অনুগত সেনা ইউনিট এবং সুদানের ডেপুটি লিডার মোহাম্মদ হামদান দাগালোর নেতৃত্বে হেমেদতি নামে পরিচিত আরএসএফ-এর মধ্যে হচ্ছে।
আরএসএফ বলছে, সব সেনাঘাঁটি দখল না করা পর্যন্ত সেনারা লড়াই চালিয়ে যাবে। জবাবে সুদানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, আরএসএফ বিলুপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনা হবে না।