শক্তিশালী দুই ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে পৃথক দুটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টায় এ ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস।

এরমধ্যে প্রথম ভূমিকম্পটি ৬.০ মাত্রা ও দ্বিতীয়টি ছিল ৫.৬ মাত্রার।

ভূমিকম্পটি মিন্দানাও দ্বীপের দাভাও দে ওরোর স্বর্ণ খনির প্রদেশের মারাগুসান পৌরসভা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে।

এছাড়া প্রথম ভূমিকম্পের প্রায় ৩ ঘণ্টা পর পার্শ্ববর্তী নিউ বাটান পৌরসভায় ৫.৬ মাত্রার অগভীর দ্বিতীয় ভূমিকম্প আঘাত হানে।

এতে কিছু বাড়ি ধসে পড়ে।

তাৎক্ষণিকভাবে বড় ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

নিউ বাটান দুর্যোগ কর্মকর্তা লিন ডলোলাসা বলেন, “আন্দাপ গ্রামে প্রায় ৩০০ পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি বাড়ি ধসে পড়েছে।”

প্রাদেশিক তথ্য কর্মকর্তা জে সুয়েবাগুইও বলেন, “আমি দাভাও দেল নর্তে সংলগ্ন প্রদেশের তাগুম শহরের একটি শপিং মলের তৃতীয় তলায় অফিসের জিনিসপত্র কিনছিলাম। তখনই হঠাৎ ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই সময় প্রায় ১০০ জন মানুষ ভবন থেকে পালানোর চেষ্টা করে। এতে অনেকেই আহত হয়।”

তাগুমের পুলিশ কর্মকর্তা কর্পোরাল স্টেফানি ক্লেমেন বলেন, “প্রথম ভূমিকম্পটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল। এরপরে আফটারশক হয়েছিল।”

তিনি এএফপিকে বলেন, “আমরা দ্রুত ডেস্কের নিচে চলে গেলাম। যখন মাটি কাঁপানো বন্ধ হয়ে গেল তখন আমরা সরাসরি বাইরে চলে যাই।”

তার মতে ভূমিকম্পটি ধ্বংসাত্মক না হলেও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

দেশটিতে ২০২২ সালের অক্টোবরে সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পটি হয়েছিল। ৬.৪ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটিতে ভবনগুলো বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। অধিকাংশ অঞ্চল বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।

এদিকে প্রশান্ত মহাসাগরের “রিং অব ফায়ারের” কাছে অবস্থিত হওয়ায় ফিলিপাইনে প্রতিদিনই ভূমিকম্প হয়।