সেপ্টেম্বরেই উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং উন রাশিয়া সফরে যেতে পারেন বলে ধারণা মার্কিন গোয়েন্দা দপ্তরের। এ অবস্থায় উত্তর কোরিয়াকে কড়া বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বার্তা নয়, সরাসরি আক্রমণের হুমকি দিয়েছে হোয়াইট হাউস।
হোয়াইট হাউসের কথা, উত্তর কোরিয়াকে আন্তর্জাতিক নীতি মেনে চলতে হবে। তারা কখনোই অন্য কোনো রাষ্ট্রকে অস্ত্র বিক্রি করতে পারে না। রাশিয়াকে অস্ত্র বিক্রির অর্থ নিরাপরাধ ইউক্রেনীয়দের হত্যায় শামিল হওয়া। উত্তর কোরিয়া এ কাজ করলে ফল ভোগ করতে হবে।
হোয়াইট হাউস মুখপাত্র জেক সুলিভান সাংবাদিকদের জানান, উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে বিশ্বের মঞ্চে কোণঠাসা। তাদের কার্যত কোনো বন্ধু নেই। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়াকে অস্ত্র বেচলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে।
সুলিভান বলেন, “আমরা যা খবর পেয়েছি, তাতে কিম জং উন মস্কো গিয়ে পুতিনের সঙ্গে দেখা করবেন বলেই জানা গেছে। এ কাজ করলে তার ফল ভালো হবে না।”
রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া
মঙ্গলবার রাশিয়াও এ বিষয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, “এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।”
ক্রেমলিন বলতে চায়, কিমের সফর সম্পর্কে তারা এখন পর্যন্ত কোনো খবর পায়নি। তবে খবরটিকে ভুয়া বলে উড়িয়েও দেয়নি তারা।
২০২০ সালে দেশের সীমান্ত সিল করে দিয়েছিলেন কিম। এরপর দেশে কাউকে ঢুকতেও দেননি, নিজেও অন্য কোনো দেশে যাননি। ফলে ২০২০ সালের পর এই প্রথম অন্য দেশে বৈঠক করতে যাচ্ছেন কিম। এর আগে ২০১৯ সালে প্রথমবার মস্কো গিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন কিম। এর দুই মাস আগে ট্রাম্পের সঙ্গে তার পরমাণু চুক্তি ভেস্তে যায়।