এই সপ্তাহের শুরুতে কানাডিয়ান নজরদারি বিমান চীনের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। চীন বলছে, চীনের আকাশসীমায় ওই বিমানটি নজরদারি করছিল। বেইজিং ঘটনাটিকে “অবৈধ অনুপ্রবেশ” বলে অভিহিত করেছে বলে রাশিয়ান বার্তা সংস্থা আরটি জানিয়েছে।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিংয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি কানাডিয়ান সিপি-১৪০ অরোরা গুপ্তচর বিমান একদিন আগে চিওয়েই ইউ দ্বীপের ওপর দিয়ে চীনা আকাশসীমায় উড়েছিল। চীনা মুখপাত্র ঘটনাকে “উস্কানিমূলক কাজ” বলে নিন্দা করেন।
ওই মুখপাত্র আরও বলেন, কানাডার পক্ষের উচিত সত্যকে সম্মান করা এবং স্পষ্ট করা- ঠিক কী কারণে তাদের বিমান সেখানে উড়ছিল।
এদিকে গ্লোবাল নিউজ জানিয়েছে যে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা-প্রয়োগমূলক মিশনের সময় চীনা ফাইটার জেটগুলি পূর্ব চীন সাগরে সমুদ্রের লেনের ওপর দিয়ে সিপি-১৪০ যাচ্ছিল। ঘটনার সময় গ্লোবাল নিউজের একজন ক্রু কানাডিয়ান বিমানে চড়েছিলেন এবং আউটলেট পরে বলেছিল যে, একটি চীনা জেট অরোরার মাত্র পাঁচ মিটারের মধ্যে এসেছিল।
কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিল ব্লেয়ার সোমবার গভীর রাতে চীনের অভিযোগকে “বিপজ্জনক এবং বেপরোয়া” কৌশল বলে দাবি করেছেন।
চীনা সেনাবাহিনীর নিন্দা করে তিনি বলেছেন, “চীনের কাছে এই ধরণের আচরণ কখনই গ্রহণযোগ্য নয় এবং আমরা এই প্রতিক্রিয়া চীনা সরকারের কাছে সবচেয়ে উপযুক্ত উপায়ে প্রকাশ করব।”
তবে কানাডার মেজর জেনারেল ইয়ান হাডলস্টন সাংবাদিকদের বলেছেন, “নজরদারি বিমানটি তার টহল চলাকালীন ‘আন্তর্জাতিক আকাশসীমায়’ ছিল।”
তবে চীনা মুখপাত্র সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, “এটি বিতর্কিত দিয়াওয়ু দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে উড়ে গেছে।”
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিংয়ের দাবি, “কানাডিয়ান সামরিক বিমান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের ‘ঘনিষ্ঠ পুনরুদ্ধার’ চালিয়েছে। এই ধরনের মিশনগুলো প্রায়ই উত্তর কোরিয়া সম্পর্কিত জাতিসংঘের প্রস্তাবের অজুহাতে পরিচালিত হয়।”