কোভিডের নতুন ধরনের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-ভারত-চীন

পুরো দুনিয়াকে বিপর্যস্ত করা করোনাভাইরাসের নতুন একটি ধরন কয়েকটি দেশে আবারও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। নতুন ধরনটি শক্তিশালী না হলেও সংক্রমণ বাড়ায় কিছুটা ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত ও চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সাব-ভ্যারিয়েন্ট জেএন-১ ছড়িয়ে পড়ছে। এই মুহূর্তে জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি কম এবং বর্তমান টিকাগুলো এর প্রতিরোধে কাজে আসবে। তবে শীতে করোনাভাইরাস ও অন্যান্য সংক্রমণ ব্যাধি ছড়ানোর আশঙ্কা আছে।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, জেএন-১ সাব-ভ্যারিয়েন্ট ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশে পাওয়া গেছে।

ডব্লিউএইচও বলছে, এখনো আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসিপি) জানিয়েছে, জেএন-১ এখন যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। দেশটির মোট সংক্রমণের মধ্যে ১৫ থেকে ২৯% এই সাব-ভ্যারিয়েন্টের কারণে হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি বলেছে, বর্তমানে গবেষণাগারে মোট করোনা পরীক্ষার প্রায় ৭% এ জেএন.১ পাওয়া গেছে।

এটি ছাড়াও অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

জার্মানিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেখানে  জেএন-১ এখন পর্যন্ত ২১ জনের হয়েছে। তার মধ্যে ১৯ জন গোয়ায়, একজন করে মহারাষ্ট্র ও কেরালায়।