ইলন মাস্ক তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন “কেকিয়াস ম্যাক্সিমাস”। কিন্তু কেন এই নাম রাখলেন- তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। খবর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) নিজের নাম বদলে “পেপো দ্যা ফ্রগ” নামের কমিক চরিত্রের ও ইন্টারনেট মিমের নাম ও নতুন প্রোফাইল ছবি দেন টেসলার মালিক ইলন মাস্ক।
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছের মানুষ ইলন মাস্ক তার এ নতুন নামের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
মাস্কের এমন পদক্ষেপ ক্রিপ্টোকারেন্সির জগতে আলোড়ন তুলেছে। এর ফলে একই নামের একটি মিমকয়েনের (যা ইন্টারনেট মিম দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি ডিজিটাল মুদ্রা) মূল্য হঠাৎ বেড়ে গেছে।
এর আগেও ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য করে ক্রিপ্টোকারেন্সির দামে প্রভাব ফেলেছেন। তবে এই নির্দিষ্ট মিমকয়েনের সঙ্গে তার সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার নয়।
কেকিয়াস ম্যাক্সিমাস কী?
“কেকিয়াস” শব্দটি “কেক” শব্দটির লাতিন রূপান্তর, যা গেমারদের মধ্যে জনপ্রিয় একটি শব্দ, যার অর্থ প্রায় “লাফ আউট লাউড” (জোরে হাসি)। তবে সম্প্রতি এটি উগ্র ডানপন্থীদের ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে।
অনেকেই “গ্ল্যাডিয়েটর” সিনেমায় দেখানো “ম্যাক্সিমাস” শব্দটি রাসেল ক্রোর সাহসী চরিত্র, ম্যাক্সিমাস ডিসিমাস মেরিডিয়াসকে মনে করছেন।
এদিকে মাস্কের নতুন প্রোফাইল ছবিতে রয়েছে রোমান সামরিক পোশাক পরা পেপে চরিত্রটি। চরিত্রটির হাতে একটি গেম কনসোল রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
নিজের নাম ও ছবি পরিবর্তন করার সময় প্রাচীন রোমান বর্ম পরা একটি মিম ‘‘পেপে দ্য ফ্রগে’’র একটি ছবি শেয়ার করেছেন মাস্ক, যেখানে একটি পাথরে খোদাই করা রয়েছে ‘‘৮০’’। ছবির ক্যাপশনে মাস্ক লিখেছেন, “কেকিয়াস ম্যাক্সিমাস শিগগিরই হার্ডকোর পিওইতে ৮০ স্তরে পৌঁছাবে।”
‘‘‘পিওই’’ বলতে হয়তো ‘পাথ অফ এক্সাইল ২’’ নামের ভিডিও গেইমকে বুঝিয়েছেন মাস্ক। এর আগে তিনি বলেছিলেন, এ গেইমটি তিনি খেলেন। গত ১৩ ডিসেম্বর ‘‘কেকিয়াস ম্যাক্সিমা’’ শব্দগুচ্ছের একটি পোস্টও শেয়ার করেছিলেন মাস্ক।