মেক্সিকোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি বারে বন্দুক হামলায় সাতজন মারা গেছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন পাঁচজন। দেশটিতে ধারাবাহিক সহিংসতার এটাই সর্বশেষ ঘটনা।
রবিবার (৫ জানুয়ারি) স্থানীয় প্রশাসন সংবাদমাধ্যম এফপিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই ঘটনার পর দেশটির তাবাস্কো প্রদেশের ভিলাহেরমোসা অঞ্চলে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী।
এ বিষয়ে দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “বারটির ভিডিও ফুটেজ নিরীক্ষণ করা হচ্ছে। ফেডেরাল ও রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ সমন্বয়ের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করবে।”
গোলাগুলিতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন মারা যান। তবে পরবর্তীতে তাবাস্কোর পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস জানায়, এই বারে আরও দুজন মানুষ মারা গেছেন। বারটি অবৈধভাবে চালানো হচ্ছিল বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, অজ্ঞাত এক বন্দুকধারী “লা কাসিতা আজুল” নামের বারটিতে ঢুকেই নির্বিচারে গুলি করতে থাকে।
সম্প্রতি তাবাস্কোতে সহিংসতার উর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত নভেম্বর মাসে একই অঞ্চলের একটি বারে বন্দুক হামলায় ছয় জনের প্রাণহানির পাশাপাশি ১০ জন আহত হয়েছেন। এর আগে দুটি পৃথক ঘটনায় একইভাবে যথাক্রমে ১০ ও ছয় জনের মৃত্যু হয়।
মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার জেরে মেক্সিকোতে ২০০৬ সালের পর থেকে মোট সাড়ে চার লাখ মানুষ মারা গেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।
গত বছর ১ অক্টোবর দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হয়েই ক্লদিয়া শিনবাউম মাদকের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের পরিবর্তে সামাজিক নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে এই সমস্যাকে শেকড় থেকে উপড়ে ফেলার ঘোষণা দেন।