জার্মানিতে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে জার্মানিতে চাকরি করার সুযোগ রয়েছে। আগ্রহী বিদেশি প্রার্থীদের জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া নিয়ে নির্দেশনা প্রকাশ করেছে দেশটি। এতে আবেদনপত্রের ভাষা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত এবং প্রাথমিক বাছাইয়ের পর সাক্ষাৎকারের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
এমএসএন, ইয়াহু নিউজ ও দেশীয় সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-এর বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক বিদেশি প্রার্থীদের কোন শর্তগুলো মানতে হবে -
আবেদনের ভাষা যাচাই করতে হবে
জার্মানির অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন জার্মান ভাষায় জমা দেওয়ার নির্দেশনা থাকে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান ইংরেজি ভাষায় আবেদন গ্রহণ করে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভাষাসংক্রান্ত শর্ত যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত ভাষায় আবেদন না করলে প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনার আগেই আবেদন বাতিল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
জার্মানিতে চাকরির আবেদনে সাধারণত তিনটি প্রধান নথি থাকে। এগুলো হলো-
কভার লেটার: কেন নির্দিষ্ট পদে ও প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে আগ্রহী, তা তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে পদটির জন্য কেন উপযুক্ত, তা ব্যাখ্যা করতে হবে।
জীবনবৃত্তান্ত (সিভি): ছকবদ্ধ ও সুস্পষ্টভাবে সাজানো জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে হবে। এতে প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে হবে।
সুপারিশপত্র বা অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র: প্রাসঙ্গিক রেফারেন্স বা কাজের অভিজ্ঞতার সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করতে হবে।
ছবি দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়
জার্মানিতে চাকরির আবেদনে সিভির সঙ্গে ছবি দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে দেশটিতে সিভিতে ছবি যুক্ত করার প্রচলন রয়েছে। প্রার্থীরা চাইলে পেশাদার ছবি যুক্ত করতে পারেন। এক্ষেত্রে এমন ছবি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যেন প্রার্থীকে পেশাদার ও বন্ধুত্বপূর্ণ মনে হয়।
প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হলে সাক্ষাৎকার
আবেদনপত্র যাচাইয়ের পর প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হতে পারে। সাক্ষাৎকার সরাসরি, ভিডিও কলের মাধ্যমে অথবা টেলিফোনে নেওয়া হতে পারে। ফলে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে জার্মানিতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।
নির্দেশনায় বিদেশি চাকরিপ্রার্থীদের আবেদন করার আগে প্রতিষ্ঠানের শর্ত যাচাই, প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত এবং পেশাদারভাবে আবেদনপত্র উপস্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।