কুমিল্লায় বন বিভাগের অভিযানে অবৈধ গর্জন গোল কাঠ পাচারকালে কাভার্ড ভ্যানসহ জব্দ করা হয়েছে।
সুয়াগাজী ফরেস্ট চেক স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর জানান, অভিযানে আটককৃত অবৈধ গর্জন গোল কাঠের বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক ৩ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (৬ মে) রাত ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে কাঠবোঝাই কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়। বন বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুমিল্লা সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জি এম মোহাম্মদ কবিরের নির্দেশনায় স্টেশন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বে স্টেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ মঙ্গলবার রাত ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে সুয়াগাজী ফরেস্ট চেক স্টেশনের অধীন তাজ ফিলিং স্টেশনের সামনের মহাসড়কে অবৈধ গর্জন গোলকাঠবোঝাই কাভার্ড ভ্যানটি আটক ও জব্দ করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাভার্ড ভ্যানটি আটকের উদ্দেশ্যে বন বিভাগের টহল দল মিয়াবাজার হতে কাভার্ড ভ্যানটিকে অনুসরণ করে কয়েকবার গতি রোধের চেষ্টার পর তাজ ফিলিং স্টেশনের সামনে চালক কাভার্ড ভ্যানটি থামিয়ে দ্রুত সহকারীসহ রাতের অন্ধকারে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। বন বিভাগের আড়াল কৌশলে কাভার্ড ভ্যান যোগে এসব কাঠ পাচার করা হচ্ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অবৈধ গর্জন গোল কাঠ বহনকারী কাভার্ড ভ্যান (ঢাকা-মেট্রো-ট-১৩-৬৮৮৮) আটক করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়, শাকতলা, কুমিল্লায় রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে বন মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জি এম মোহাম্মদ কবিরের নির্দেশনায় প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ কাঠ জব্দ করে ধারাবাহিকভাবে সরকারকে বিপুল পরিমান রাজস্ব দিয়ে আসছে সুয়াগাজী ফরেস্ট চেক স্টেশন এর স্টেশন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর। ফলে নির্বিঘ্নে কাঠ পাচার করতে এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল বিভাগীয় বনকর্মকর্তাসহ স্টেশন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীরকে বিভিন্ন উপায়ে হয়রানির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। স্টেশন কর্মকর্তাকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হলে তিনি এই অভিযান আরও বেগবান করতে সক্ষম হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আরও বৃদ্ধি পাবে।