রাইড শেয়ারিংয়ের মাধ্যম অটিজম সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াস

এপ্রিলকে বলা হয় “বিশ্ব অটিজম সচেতনতার মাস” এবং ২ এপ্রিল “বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস”। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু, ব্যক্তি এবং তাদের ঘনিষ্ঠজনদের স্বীকৃতি হিসেবে দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। এ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংশ্লিষ্টরা পুরো এপ্রিল মাস ধরে আয়োজন করেন অটিজম বিষয়ক অনুষ্ঠান ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম। যার লক্ষ্য হলো অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের বোঝা এবং বিশ্বজুড়ে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো।

আর এরই ধারাবাহিকতায় চাইল্ড ফাউন্ডেশন এবং স্টিকার ড্রাইভার সম্মিলিতভাবে শুরু করেছে “অটিজম সচেতনতা সপ্তাহ ২০২২”।  

চাইল্ড ফাউন্ডেশন একটি বেসরকারি, অ-রাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। যা শিশু, যুবক এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে ২০১৬ সাল থেকে। তাদের উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। বছরজুড়ে তারা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য অনুষ্ঠান, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে।

তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করার জন্য চাইল্ড ফাউন্ডেশন বদ্ধপরিকর। চাইল্ড ফাউন্ডেশন সব সময় চেষ্টা করে আসছে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে। সেই চিন্তা মাথায় রেখে তারা “পটু” নামে একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ডের যাত্রা শুরু করেছে। যেখানে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কয়েকজন তরুণ ডিজাইনার কাজ করছেন।
সেই ডিজাইনারদের মধ্যে একজন আছেন এই কার ক্যাম্পেইনের আয়োজনে।  

১৯৭২ সালে অটিজম সোসাইটি প্রথম বার্ষিক “ন্যাশনাল অটিস্টিক চিল্ড্রেন উইক” শুরু করে, যা পরে “ন্যাশনাল অটিজম সচেতনতা মাসে” রূপান্তরিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় চাইল্ড ফাউন্ডেশন ২০২২ সালের এপ্রিল মাসজুড়ে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।

চাইল্ড ফাউন্ডেশন এবং স্টিকার ড্রাইভার শনিবার (৯ এপ্রিল) থেকে যৌথ প্রচেষ্টায় সপ্তাহব্যাপী শুরু করেছে “অটিজম অ্যাওয়ারনেস কার ক্যাম্পেইন ২০২২”।

সপ্তাহব্যাপী এই ক্যাম্পেইন মূলত অটিজমের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলার একটি প্রয়াস। এই উদ্যোগে একটি গাড়ি সম্পূর্ণরুপে অটিজমের বিভিন্ন বিষয় দিয়ে সাজানো হয়েছে, যেখানে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সেই গাড়িতে চড়তে পারবেন।

বিশেষ এই গাড়িটি ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে।

চাইল্ড ফাউন্ডেশন এবং স্টিকার ড্রাইভার আশা করে, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে কিছুটা হলেও সাধারণ মানুষ অটিজম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানবে এবং সচেতন হবে।