রাতে ইউরো, ভোরে কোপা: রাত জেগেও সোমবার অফিসে চাঙা থাকবেন যেভাবে

ফুটবলপ্রেমীদের জন্য দারুণ উত্তেজনার একটি রাত আজ। ফুটবলের দুটি বড় আসরের ফাইনাল রাত থেকে ভোরজুড়ে।

রবিবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় ইউরোর শ্রেষ্ঠত্বের জন্য লড়বে স্পেন ও ইংল্যান্ড।  

রাত ১টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি শেষ হতে বাজবে প্রায় রাত ৩টা। তবে ইউরো টাইব্রেকারে গড়ালে শেষ হতে বাজবে প্রায় ভোর ৪টা।

এর দুই ঘণ্টা পরই চোখ ঘুরাতে হবে ইউরোপ থেকে আমেরিকায়। বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৬টায় আবার কোপা আমেরিকার ফাইনাল। যেখানে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া।

আনহেল ডি মারিয়া কোপা চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিদায় নেবেন, নাকি কলম্বিয়ার উল্লাসে আর্জেন্টিনা বেদনায় নীল হবে সেটা দেখতে দেখতেই বাংলাদেশে অফিস-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় হয়ে যাবে।

দুই ম্যাচের মাঝখানে ঘণ্টা দুয়েকের জন্য ছোট একটা ঘুম কেউ কেউ দিয়ে নিতেই পারেন। তবে অনেকেই আবার ঘুম না ভাঙার ভয়ে জেগেই থাকবেন। তবে উভয় ধরনের মানুষের জন্য সোমবার পুরো দিনটা থাকবে ঘুমের ক্লান্তি। কিন্তু অফিসে সেই ক্লান্তির প্রভাব পড়লে ব্যাঘাত ঘটবে কাজে; শুনতে হতে পারে বসের ধমকও।

তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে সারা রাত জাগার পরও পুরোটা দিন চাঙা থাকতে পারবেন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে-

খেলা দেখার উত্তেজনায় মাঝেমাঝে কফির কাপে চুমুক দিতে ইচ্ছে করতেই পারে। তবে এই ইচ্ছেকে দমন করতে হবে। ঘন ঘন কফি খেলে শরীর সাময়িক চাঙা লাগলেও ভেতর থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ে শরীর। পরের দিন শরীরের নিয়ন্ত্রণ হাতের বাইরে চলে যাবে। তাই রাত জাগলে কফির বদলে বারে বারে পানি পান করুন। তাতে শরীর ফিট থাকবে।

খালি মুখে খেলা দেখার মধ্যে মজা নেই। তাই মাঝেমাঝে মুখ চালাতেই হয়। তবে মুখ চালানোর জন্য ভাজাভুজি বেছে নেবেন না। রাত জেগে এ ধরনের খাবার খেলে পেটে গোলমাল হতে পারে। পরদিন শরীর চাঙা রাখতে রাতে বাদাম, অ্যাভোকাডো, মুড়ি, ছোলার মতো খাবার খেতে পারেন।

মাঝরাতে খেলা শুরু হবে। খেলা দেখতে বসার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাতের খাবার খেয়ে নিন। বেশি রাতে ভারী খাবার খেলে আবার গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাড়াতাড়ি খেয়ে নেওয়ার কারণে রাতে খিদে পেলে তখন হালকা কিছু খাবার খেতে পারেন।

পছন্দের দল জিতবে কি-না, তা নিয়ে টেনশনে বার বার ধূমপানের প্রবণতা তৈরি হতেই পারে। তবে সেই প্রবণতায় রাশ টানা জরুরি। রাত জেগে একের পর এক সিগারেট খেয়ে গেলে, পরের দিন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সোমবার সকালে সম্ভব হলে কিছুটা সময় আলোর সংস্পর্শে থাকুন। তাতে রাত জাগার যে মানসিক ক্লান্তি, তা অনেকটাই কেটে যাবে। কিছুক্ষণ গায়ে রোদ মাখলে বিরক্তি কেটে যাবে।