প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর এবং শ্যালককে মুম্বাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, রাস্তায় একটি গণ্ডগোলের সময় এক ব্যক্তিকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করেছেন। ঘটনাচক্রে মারধরের শিকার ব্যক্তির নামও ইউসুফ। তবে তার পুরো নাম ইউসুফ খান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর এবং শ্যালক ছাড়াও আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশ।
মহারাষ্ট্র পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে শনিবার, মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা এলাকায়। ৩০ বছর বয়সী ইউসুফ খান নামে এক স্থানীয় যুবক গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তার গাড়ির চাকা খানাখন্দে জমে থাকা পানিতে পড়ে। নোংরা পানি ছিটকে লাগে পথচারী শোয়েব খানের শরীরে। ৩৫ বছরের যুবক শোয়েব খান, ইউসুফ পাঠানের আত্মীয়। সেখান থেকে গণ্ডগোলের সূত্রপাত।
গাড়িচালক যুবকের দাবি, তিনি গাড়ি থেকে নেমে মাফ চেয়ে নেন শোয়েবের কাছে। কিন্তু তিনি উল্টে গালাগালি শুরু করেন। তারপর বাঁশ দিয়ে তার গাড়ি ভাঙচুর করতে যান। বাধা দিলে তাকে পেটান এবং গাড়ির উইন্ডশিল্ডও ভাঙা হয়।
পরে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে থানায় যান ইউসুফ নামের মুম্বাইয়ের ওই যুবক। কিন্তু থানায় যেতে গিয়ে আবার এক দফা গণ্ডগোল হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সে সময় ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর খালিদ খানও বচসায় জড়ান।
পুলিশের কাছে আক্রান্তের অভিযোগ, ওই সময় ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর খালিদ এবং শ্যালক উমরশাদ খানেরা তাদের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান করেন। গায়েও হাত তোলেন।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়ায়। বাঁশের লাঠি, বেসবল ব্যাট দিয়ে পেটানো হয়। গাড়িচালকের ভাই সালমন আহত হন। তার চাচাও আহত হয়েছেন। এরপরই ইউসুফের শ্বশুর, শ্যালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা রুজু হয়েছে। আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তিনজনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেন।