সোমবার (১৫ জুন) টুর্নামেন্ট আয়োজকদের স্থানীয় সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়েছে চারটি ম্যাচ। চার ম্যাচের সবকটি ম্যাচই ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা ঘটল।
৬৮ বছর আগের স্মৃতি যেন ফিরে এলো ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে।
সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিকের তথ্যমতে, ১৯৫৮ বিশ্বকাপের সূচিতে এক দিনে আটটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে চারটি ম্যাচ নিষ্পত্তি ড্রতে। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ ড্রয়ের ঘটনা। দ্বিতীয়বার একই নজির দেখা গেছে গত সোমবার। ৬৮ বছর আগের বিশ্বকাপে স্বাগতিক সুইডেন ও ওয়েলস ম্যাচ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
এছাড়া যুগোস্লাভিয়া ও প্যারাগুয়ে ম্যাচটি ড্র হয় ৩-৩ গোলে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রিয়া ২-২ গোলে সমতায় শেষ করে তাদের ম্যাচ। একই ফলাফল দেখেছিল নর্দান আয়ারল্যান্ড ও জার্মানির মধ্যকার ম্যাচেও। কেবল চারটি ড্রয়ের ঘটনাই নয়, কাকতালীয়ভাবে ১৯৫৮ বিশ্বকাপের সে দিনটিও ছিল ১৫ জুন। ২০২৬ আসরের ১৫ জুনও দেখল একই কীর্তি।
বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, গত রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত ড্র হওয়া ম্যাচগুলো বেশ উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। এর মধ্যে অন্যতম আলোচিত ম্যাচ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট স্পেনের সঙ্গে এবার অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দের ম্যাচটি। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে তাদের রক্ষণভাগ জমাটবদ্ধ করে রাখলেও, সুযোগ পেলেই আক্রমণে উঠেছে। তবে তাদের বড় সফলতা তারকায় ঠাসা স্প্যানিশদের কোনো গোল করতে না দেওয়ায়। ম্যাচটি গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়।
অন্যদিকে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ২০ মিনিটেই লিড নিয়েছিল মিসর। জয়ের আশা জাগালেও তারা ৬৬ মিনিটে আত্মঘাতি গোলে সেই লিড হারায়। ফলে বেলজিয়াম হাফ ছেড়ে বাঁচে ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায়।
একই ব্যবধানে ড্র করে সৌদি আরব ও উরুগুয়ে। যেখানে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কঠিন পরীক্ষা নেয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ৪১ মিনিটে তার প্রথম গোল করে। তবে ৮০ ম্যাক্সিমিলিয়ান আরাউহো গোল করলে হার এড়ায় উরুগুইয়ানরা।
আরও একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ উপহার দেয় ইরান ও নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটি শেষ হয়ে ২-২ গোলের সমতায়। চাপের মুখে থাকা ইরানিরা দুইবারই পিছিয়ে পড়ে কামব্যাক করেছে। যদিও তাদের চেয়ে নিউজিল্যান্ড ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৬৫ ধাপ পিছিয়ে। এছাড়া ২০১০ সালের পর তারা এবার বিশ্বকাপে ওঠে।