আর্জেন্টিনার ‘ফকল্যান্ড ব্যানার’ নিয়ে যা বললো ফিফা

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ‘ফকল্যান্ড ব্যানার’ প্রদর্শনের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে ফিফা। সেমিফাইনালের পর মাঠের ওই ঘটনায় তদন্তের আহ্বান জানিয়েছিল যুক্তরাজ্য সরকার।   

বুধবার (১৫ জুলাই)আটলান্টায় ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর পর গ্যালারি থেকে সমর্থকদের ছুড়ে দেওয়া একটি ব্যানার হাতে তুলে নেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। ব্যানারটিতে লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস।’

যার বাংলা অর্থ, ‘মালভিনাস (ফকল্যান্ড) দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার।’ ব্যানারটি ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর আর্জেন্টিনার দীর্ঘদিনের সার্বভৌমত্বের দাবির প্রতিই ইঙ্গিত করে সামনে আনা হয়েছিল।এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয় যুক্তরাজ্য।

দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা ফিফাকে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানানোর পর ফিফা এ বিষয়ে অবস্থান জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ফিফার পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি বর্তমানে ম্যাচের প্রতিবেদনগুলো মূল্যায়ন করছে এবং ফিফার শৃঙ্খলাবিধির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সম্ভাব্য পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনা করছে।’

কী শাস্তি হতে পারে

ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে খেলোয়াড়েরা কোনো ধরনের রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত স্লোগান, বক্তব্য বা ছবি প্রদর্শন করতে পারবেন না। এ কারণে ম্যাচের আগেই মাঠে ফকল্যান্ডের পতাকা নিষিদ্ধ করে ফিফা।

ফুটবল মাঠে রাজনৈতিক কোনো স্লোগান বা বক্তব্য প্রদর্শন করলে ফিফা সাধারণত জরিমানা করে থাকে। জরিমানার মাত্রা হতে পারে ৫,০০০ ডলার থেকে শুরু করে ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড় জড়িত থাকলে তাদের নিষিদ্ধও করা হতে পারে।