কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে মুখোমুখি হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান ও লিটন কুমার দাস। সাকিব শুধু লিটনকে আউটই করেননি, দারুণ অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে বড় অবদান রেখেছেন দলের জয়ে।
শুক্রবার (২১ জুলাই) সাকিবের দল মন্ট্রিয়ল টাইগার্স মুখোমুখি হয়েছিল লিটনদের সারে জাগুয়ার্সের। ম্যাচটা সাকিবরা ৫ উইকেটে জিতেছে ৯ বল হাতে রেখে।
বিশ্ব ক্রিকেটের অন্য প্রান্তে মুখোমুখি হয়েছিলেন বাংলাদেশের আরও দুই তারকা মুশফিকুর রহিম ও তাসকিন আহমেদ। জিম্বাবুয়েতে জিম আফ্রো টি-টেন লিগে খেলতে গিয়ে শুরুটা ঝলমলে হয়েছে দুইজনেরই।
জোবার্গ বাফেলোসের হয়ে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সর্বোচ্চ রান করে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন মুশফিক। একদিনে টানা দুই ম্যাচ খেলে সেরা বোলিং করেছেন তাসকিন। তবে দলীয় লড়াইয়ে সেখানে শেষ হাসি মুশফিকের।
এদিকে মন্ট্রিয়ল টাইগার্সের জয়ের দিনে ব্যাট-বলে অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়েছেন সাকিব। ব্যর্থ হয়েছেন লিটন দাস। সাকিবের বলে মাত্র ৯ রানে আউট হন তিনি।
দলের সেরা বোলারও ছিলেন বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। লিটন ছাড়া পারগাত সিং ও ম্যাথু ফোর্ডের উইকেটও নিয়েছেন। ২৫ রানে দুটি নিয়েছেন আব্বাস আফ্রিদি। ৩৩ রানে একটি নিয়েছেন কালিম সানা।

শুক্রবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে এক দিনে দুই ম্যাচ খেলে তাসকিনের দল বুলাওয়ে ব্রেইভস। ওই দিন মুশফিকদের জোবার্গ বাফেলোসের কাছে হারলেও হ্যারিকেনসের বিপক্ষে জিতে তাসকিনের দল। দুই ম্যাচেই দলের সেরা বোলিং পারফর্মার ছিলেন তাসকিন।
হারারে হ্যারিকেনসের বিপক্ষে ২ ওভার বল করে মাত্র ৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। আগে ব্যাট করে তার দলের ১২৮ রানের জবাবে মাত্র ৭৯ রান করতে পারে হারারে। এদিন ব্যাটিংয়েও নেমেছিলেন তাসকিন করতে পারেন ৩ বলে ৪ রান।
ফ্লাড লাইট জটিলতায় আগের দিনের খেলাও এদিন চলে আসায় একদিনে দুটি ১০ ওভারের ম্যাচ খেলতে হয় বুলাওয়েকে। মুশফিকদের বিপক্ষে পরের ম্যাচে ১০ রানে হারে তারা। দল হারলেও ২ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে ঝলক দেখান তাসকিন। আউট করেন মোহাম্মদ হাফিজ, রবি বোপারা আর ডেলানো পটগেইটারকে।
তাসকিনের ছোবল সামলে ওই ম্যাচে মারমুখী ব্যটিং করেন মুশফিক। ২৩ বলে ৮ চারে ৪৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। সিকান্দার রাজার দল ১০৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে স্রেফ ৯৫ রান করতে পারে। দলের হয়ে বেউ ওয়েবস্টার ২২ বলে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন।