চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও পারলেন না মুশফিকুর রহিম। ১৯১ রান করে মোহাম্মদ আলীর বলে ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটকিপারের কাছে। তবে ঠিকই দলীয় লিড শতরানের দিকে এগিয়ে দিয়েছেন তিনি, ক্রিজে ফিফটি নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
মুশফিকের আউটের পর বাংলাদেশ দল এগোচ্ছিল মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে। দলের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে মিরাজ থামলেন ৭৭ রান করে। ১৭৯ বল খেলা ইনিংসটি থেমেছে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে স্লিপে সালমান আগার হাতে ক্যাচ দিয়ে।
সপ্তম উইকেটে ১৯৬ রানের জুটি গড়ার পথে ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন মুশফিক, যদিও ১৯১ রানে থামতে হয়েছে তাকে। মিরাজের সম্ভাবনা ছিল সেঞ্চুরির, তিনি থেমেছেন ৭৭ রানে।
রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫৬৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ। যা পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ১১৭ রান বেশি। ৩৪১ বলের ইনিংসে ২২ চার ও ১ ছয় মেরেছেন মুশফিক।
এর আগে শুক্রবার ৫ উইকেটে ৩১৬ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। শনিবার চতুর্থ দিনে খেলতে নেমে নিজেদের জুটিতে শতরান পূর্ণ করেন মুশফিক ও লিটন দাস। লিটনের বিদায়ে ভাঙে সেই জুটি। অনেকটা মুশফিকের মতোই নাসিম শাহ’র বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৪৪৮/৬ (ডিক্লে)
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: (আগের দিন ৩১৬/৫) ১৬৭.৩ ওভারে ৫৬৫ (মুশফিক ১৯১, লিটন ৫৬, মিরাজ ৭৭, হাসান ০, শরিফুল ২২, রানা ১; আফ্রিদি ৩০-৩-৮৮-২, নাসিম ২৭.৩-৬-৯৩-৩, শাহজাদ ২৯-৩-৯০-২, আলি ৩১-৪-৮৮-২, সালমান ৪১-৩-১৩৬-০, আইয়ুব ৭-১-৩৪-১, শাকিল ২-০-৯-০)