বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ১৬তম সভাপতি হিসেবে বিসিবির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় দলের এই সাবেক অধিনায়ক।
শুক্রবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় বিসিবি পরিচালকদের সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে খবরটি জানান পরিচালক ইফতেখার রহমান।
এছাড়াও নাজমুল আবেদীন ফাহিম সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফাহিম সিনহা সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ফারুক আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করার পর শুক্রবার বিকেলে বুলবুলকে পরিচালক করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। এরপর সন্ধ্যায় এক বোর্ড সভায় তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
উল্লেখ্য, আমিনুল জাতীয় দলের হয়ে এক যুগের বেশি সময় ক্রিকেট খেলেছেন। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ১৩ টেস্ট ও ৩৯ ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ানও তিনি। ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলেন তিনি।
আগামী অক্টোবর পর্যন্ত বিসিবি সভাপতির দায়িত্বে থাকবেন নতুন সভাপতি বুলবুল।
এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে বিসিবি পরিচালক হিসেবে ফারুক আহমেদের মনোয়ন বাতিল করার আগেই (এনএসসি) আরেক সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বিসিবির কাউন্সিলরের চিঠি দেয় এনএসসি। আর রাতেই এক অনলাইন সভায় তার কাউন্সিলরশিপ অনুমোদন করেছে ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকেরা।
এদিকে আজ শুক্রবার এই অনাস্থা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ফারুক আহমেদের মনোনয়ন বাতিল করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনএসসি।
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, পরিচালকদের মধ্য থেকে একজন বোর্ড সভাপতি নির্বাচিত হয়ে থাকেন। যেহেতু তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, তাই বিসিবি সভাপতি পদে এখন তিনি আর বহাল থাকবেন না।
মনোনয়ন বাতিলের পর ফারুক সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে বলেন, ‘‘চিঠিটি আমি দেখেছি। এ ব্যাপারে আমি এখন কোনো মন্তব্য করব না। আগামীকাল আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’’
পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে আরও বলেন, ‘‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পদত্যাগ করব না। আমাকে পদত্যাগ করতে বলাও হয়নি। আমাকে বলা হয়েছে, সরকার নাকি আমাকে আর বিসিবি সভাপতি হিসেবে রাখতে চাইছে না। কিন্তু কেন রাখতে চাইছে না, সেটার কোনো কারণ তারা আমাকে বলেনি। বিনা কারণে তো আমি পদত্যাগ করতে পারি না।’’