শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে ৭ উইকেটের হার দিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ শুরু করলো বাংলাদেশ। কুশল মেন্ডিসের ৭৩ আর পাথুম নিশাঙ্কার ৪২ রানের ইনিংস, সেইসঙ্গে এ জুটির বিস্ফোরক শুরুতে হেসেখেলেই বাংলাদেশের দেওয়া ১৫৫ রানের লক্ষ ছুঁয়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। এ নিয়ে শেষ ১৬ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ১২টিতেই হারলেন লিটনরা।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডেতে সিরিজ হারের পর টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। তবে এই ফরম্যাটেও শুরুটা ভালো হলো না টাইগারদের।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) পাল্লেকেলেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন পারভেজ হোসেন ইমন। জবাবে ১৯ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় পায় শ্রীলঙ্কা।
ছোট লক্ষ তাড়া করতে নেমে দারুণভাবে শুরু করে শ্রীলঙ্কা। ১৬ বলে ৪২ রান করে পাথুম নিশাঙ্কা সাজঘরে ফিরলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। আরেক ওপেনার কুশল মেন্ডিস করেছেন ৫১ বলে ৭৩ রান।
ইনিংসের মাঝামাঝি মিতব্যয়ী বোলিং করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু ততক্ষণে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে টাইগাররা। শেষদিকে দেখে-শুনে খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন আভিশকা ফার্নান্দো।
এর আগে, দুই ওপেনার ইমন ও তানজিদ তামিমের ব্যাটে শুরুটা ভালো করেছিল বাংলাদেশ। এক প্রান্তে তামিম কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিং করলেও আরেক প্রান্তে দুর্দান্ত ছিলেন ইমন। তামিম ১৬ রান করে ফিরলে ভাঙে ১৬ রানের উদ্বোধনী জুটি।
তিনে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্যর্থ হন লিটন দাস। ১১ বলে ৬ রান করেছেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে দারুণ ব্যাটিং করা ইমন ভুগেছেন পাওয়ার প্লে শেষে। তাতে ২২ বলে ৩৮ রানে আউট হন তিনি।
এরপর মোহাম্মদ নাঈম-তাওহিদ হৃদয়রা উইকেটে থিতু হলেও সুবিধা করতে পারেননি। তাদের ধীরগতির ব্যাটিং বেশ ভুগিয়েছে দলকে। শেষদিকে মেহেদি মিরাজ ও শামীম হোসেন উইকেটে এসে গিয়ার পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন। তাতে কোনোরকমে ১৫০ পেরোয় বাংলাদেশ।
মিরাজ করেছেন ২৩ বলে ২৯ রান। শামীম করেছেন ৫ বলে অপরাজিত ১৪ রান। আর ২৯ বল খেলে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন নাঈম।
প্রথম টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা ১৯ ওভারে ১৫৯/৩ (আভিস্কা ৮*, আসালাঙ্কা ১১*, নিসাঙ্কা ৪২, পেরেরা ২৪, কুশল ৭৩)
বাংলাদেশ ২০ ওভারে ১৫৪/৫ (নাঈম ৩২*, শামীম ১৪*, তানজিদ ১৬, লিটন ৬, ইমন ৩৮, হৃদয় ১০, মিরাজ ২৯)
ফল: শ্রীলঙ্কা ৭ উইকেটে জয়ী।