Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে 'বিতর্কিত' দরপত্র, আটকে গেল ঠিকাদারের বিল

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রিনসিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র কেনার ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্যের তথ্য ফাঁস হয়।

আপডেট : ১৯ মে ২০১৯, ০৫:১৭ পিএম

'রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ' প্রকল্পে আসবাবপত্রসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের জন্য দরপত্র নিয়ে বিতর্কের পর ওই কাজের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সব বিল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। 

আজ রোববার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। 

বিবৃতিতে বলা হয়, 'রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ' প্রকল্পের আওতায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্মাণাধীন ছয়টি ভবনে আসবাবপত্রসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ছয়টি প্যাকেজে ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়। প্যাকেজগুলোর প্রতিটির ক্রয়মুল্য ৩০ কোটি টাকার নিচে প্রাক্কলন করায় গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন দেওয়া হয় ও ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রে দাপ্তরিক প্রাক্কলন প্রণয়ন, অনুমোদন ও ঠিকাদার নিয়োগে মন্ত্রণালয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এর জের ধরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব পেমেন্ট বন্ধ রাখার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় হতে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

ওই কাজের বিপরীতে এখনো ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধ করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। 

সম্প্রতি দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রিনসিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র কেনার ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্যের তথ্য ফাঁস হয়। সেটি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। 


About

Popular Links