Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সাতক্ষীরার আম যাচ্ছে ইউরোপের বাজারে

সাতক্ষীরার হিমসাগর আম ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে রপ্তানি হবে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ

আপডেট : ২২ মে ২০১৯, ১১:৫৩ এএম

আমের রাজা ল্যাংড়ার পরের স্থানটি হচ্ছে হিমসাগর। সাতক্ষীরার হিমসাগর আম অনেক বিখ্যাত। আগে থেকেই দেশের বাজারে এর অনেক সুনাম রয়েছে। বর্তমানে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ইউরোপে যাচ্ছে এই আম।

তবে মৌসুমের এই আম পেতে আরও ১০-১৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

গত কয়েক বছরের মতো এবছরও সাতক্ষীরার হিমসাগর আম ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে রপ্তানি হবে বলে জানিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ আরও জানায়, সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে চার হাজার একশ’ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭ হাজার মেট্রিক টন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তীব্র গরমে এ বছর সাতক্ষীরা জেলায় আম আগে থেকেই পরিপক্ক হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেই ব্যবসায়ীরা স্থানীয় জাতের আম ভাঙতে (গাছ থেকে সংগ্রহ) শুরু করেছেন। গত ১২ মে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আদেশের পর গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ আম ব্যাপকভাবে বাজারজাত শুরু হয়েছে।

জেলা শহরের সুলতানপুর বড়বাজার, তালা, পাটকেলঘাটা, নলতা, পারুলিয়া, কালিগঞ্জ ও কলারোয়াসহ গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারগুলোতে বেশ কয়েকদিন থেকে আম উঠা শুরু হয়েছে।

সাতক্ষীরা পৌর শহরের বড় বাজারের আম ব্যবসায়ী ইসহাক বলেন, “রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে অবস্থান করছেন। প্লাস্টিক ক্যারেটে এসব আম প্রক্রিয়াজাত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। প্রতিদিন এখান থেকে ৫০০ টন আম দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে যাচ্ছে। ১৫ দিন পর হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি আম ভাঙা শুরু হলে আমের বাজার এখানকার বাজারের থেকে দ্বিগুণ হবে।”

তিনি বলেন, “বর্তমানে দেশি আম প্রতি কেজি ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া হিমসাগর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। তবে হিমসাগর এখনও ভাঙা শুরু হয়নি। যাদের কিছু আম পেকেছে শুধু তারাই বাজারজাত করছেন।”

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক অরবিন্দ বিশ্বাস বলেন, “জেলায় এবার আমের ফলন ভালো হয়েছে। এরই মধ্যে আম বাজারজাত শুরু হয়েছে। এবার এখান থেকে হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি আম ইউরোপে রপ্তানির জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টন। এ কারণে জেলার ১৪ হাজার ৪৫১টি হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি গাছ বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।”

এছাড়া অপরিপক্ব আম ভাঙা থেকে বিরত থাকতে ব্যবসায়ীদের বিশেষভাবে বলা হয়েছে। তাছাড়া আমে কোনো প্রকার কেমিক্যাল না মেশানোর জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

About

Popular Links