Saturday, September 26, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড

স্থানীয়দের ধারণা, রাজনৈতিক বিরোধ বা প্রতিহিংসার জের ধরে বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের টানা তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপনের বসতবাড়িতে রাতের আঁধারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্বপন সাবেক যুবলীগ নেতা ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার দরিকান্দি ইউনিয়নের খাল্লা গ্রামে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ করে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান স্থানীয়রা। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বসতবাড়িতে। আগুনের তীব্রতায় ঘরের কাঠ ও টিন কাঠামোসহ ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

পরে স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। সকালে আগুনে পোড়া ঘরটি দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় করেন এলাকার মানুষ।

জানা গেছে, মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপনের বাবা মরহুম জীবন মিয়াও দরিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের তিনবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। সেই সূত্রে তাদের পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপনের পৈতৃক বাড়ির এই ঘরটিও ছিল পরিবারের দীর্ঘদিনের স্মৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ।

মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপনও টানা তিনবার এই দরিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি সাবেক যুবলীগ নেতা ছিলেন। তবে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর স্বপন বর্তমানে এলাকায় থাকেন না।

স্থানীয়দের ধারণা, রাজনৈতিক বিরোধ বা প্রতিহিংসার জের ধরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মির্জা শফিকুল ইসলাম স্বপন সাংবাদিকদের জানান, এটি তার পিতার আমলের দামি কাঠের তৈরি একটি প্রাচীন ঘর। এই ঘরটি তাদের পরিবারের ঐতিহ্য ও স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে ছিল।

তিনি আরও দাবি করেন, ইউনিয়নের মানুষের জন্য এবং এলাকার উন্নয়নে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। কিন্তু প্রতিহিংসার কারণে আমাদের ঘরটি পুড়িয়ে দেওয়া হবে এটা ভাবতেও পারছি না। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, পুলিশ তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে এটাই আমার প্রত্যাশা।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

   

About

Popular Links

x