বগুড়া মহানগরীর ঝোঁপগাড়ী এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে রাকিবুল হাসান বকুল (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পারিবারিক কলহের জেরে হাসুয়ার আঘাতে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত হাসুয়া জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বিকালে বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, নিহত বকুল নিশিন্দারা উত্তরপাড়া এলাকার মৃত গণি প্রামানিকের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ ও একাধিক মামলা রয়েছে। প্রায় ১৭ বছর আগে পার্শ্ববর্তী ঝোঁপগাড়ী এলাকার পারভীনকে বিয়ে করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে বকুল ঝোঁপগাড়ীতে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি শ্বশুরকে মারধর করেন। এতে শ্বশুর আহত হলে পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তারা ধারালো হাসুয়া দিয়ে বকুলের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে সদর থানা পুলিশ, ডিবি ও এসআরবি পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান এবং বকুলের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্ত্রী পারভীন আক্তার ও শাশুড়ি বুলি বেগমসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যায় ব্যবহৃত একটি হাসুয়া পাওয়া গেছে। আপাতত তিনজনকে আটক রাখা হয়েছে। ঘটনার অন্যান্য বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।



