Saturday, October 03, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রাবি ছাত্রীকে ফোনে কুপ্রস্তাব, যুবককে ক্যাম্পাসে ডেকে এনে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৩ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইলের এক যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রাবি রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অভিযুক্ত যুবকের নাম খন্দকার সালমান হাসান মিম। তার বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। অভিযোগকারী ছাত্রী রাবির চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী।

অভিযোগকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রীর সাবেক এক রুমমেটের সঙ্গে সালমানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে তাদের পরিচয়। দুই দিন আগে সালমান রাজশাহীতে আসেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে তিনি ওই ছাত্রীকে ফোন করেন এবং পরদিন দেখা করতে চান।

নম্বরটি অপরিচিত হওয়ায় ছাত্রী পরিচয় জানতে চান। অভিযোগ অনুযায়ী, পরিচয় না দিয়েই সালমান তাকে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। পরে ছাত্রী বিষয়টি বন্ধু ও পরিচিতদের জানান। একপর্যায়ে তিনি যুবককে ফোন করে কৌশলে ক্যাম্পাসে আসতে বলেন। রাত দেড়টার দিকে সালমান ক্যাম্পাসে পৌঁছালে ছাত্রীর সহপাঠীরা তাকে আটক করে মারধর করেন।

প্রায় চার ঘণ্টা পর চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, “রাত সাড়ে ৪টায় ফোন করে কোনো কথাবার্তা ছাড়াই আমাকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর জন্য টাকা দেওয়ারও কথা বলেন তিনি। পরে জানতে পারি, তিনি আমার সাবেক রুমমেটের প্রাক্তন প্রেমিক। তখন আমি তাকে ক্যাম্পাসে আসতে বলি। তিনি শহরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কথা বলার প্রস্তাব দেন। আমি কৌশল করে তাকে ক্যাম্পাসে আনি। এ ঘটনায় আমি মামলার আবেদন করব।”

অভিযোগ অস্বীকার করে খন্দকার সালমান হাসান বলেন, “আমি এমন কোনো প্রস্তাব দিইনি। আমার ফোন থেকে অন্য কেউ কলটি করতে পারে। তার সঙ্গে আমার আগে থেকেই পরিচয় ছিল, তাই দেখা করতে চেয়েছিলাম।”

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, “বিষয়টি খুবই সংবেদনশীল। ছেলেটি আপাতত থানায় আছেন। তার মা টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন। বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তা চলছে।”

এ বিষয়ে জানতে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইলের এক যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রাবি রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অভিযুক্ত যুবকের নাম খন্দকার সালমান হাসান মিম। তার বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। অভিযোগকারী ছাত্রী রাবির চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী।

অভিযোগকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রীর সাবেক এক রুমমেটের সঙ্গে সালমানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে তাদের পরিচয়। দুই দিন আগে সালমান রাজশাহীতে আসেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে তিনি ওই ছাত্রীকে ফোন করেন এবং পরদিন দেখা করতে চান।

নম্বরটি অপরিচিত হওয়ায় ছাত্রী পরিচয় জানতে চান। অভিযোগ অনুযায়ী, পরিচয় না দিয়েই সালমান তাকে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। পরে ছাত্রী বিষয়টি বন্ধু ও পরিচিতদের জানান। একপর্যায়ে তিনি যুবককে ফোন করে কৌশলে ক্যাম্পাসে আসতে বলেন। রাত দেড়টার দিকে সালমান ক্যাম্পাসে পৌঁছালে ছাত্রীর সহপাঠীরা তাকে আটক করে মারধর করেন।

প্রায় চার ঘণ্টা পর চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, “রাত সাড়ে ৪টায় ফোন করে কোনো কথাবার্তা ছাড়াই আমাকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর জন্য টাকা দেওয়ারও কথা বলেন তিনি। পরে জানতে পারি, তিনি আমার সাবেক রুমমেটের প্রাক্তন প্রেমিক। তখন আমি তাকে ক্যাম্পাসে আসতে বলি। তিনি শহরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কথা বলার প্রস্তাব দেন। আমি কৌশল করে তাকে ক্যাম্পাসে আনি। এ ঘটনায় আমি মামলার আবেদন করব।”

অভিযোগ অস্বীকার করে খন্দকার সালমান হাসান বলেন, “আমি এমন কোনো প্রস্তাব দিইনি। আমার ফোন থেকে অন্য কেউ কলটি করতে পারে। তার সঙ্গে আমার আগে থেকেই পরিচয় ছিল, তাই দেখা করতে চেয়েছিলাম।”

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, “বিষয়টি খুবই সংবেদনশীল। ছেলেটি আপাতত থানায় আছেন। তার মা টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন। বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তা চলছে।”

এ বিষয়ে জানতে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

   

About

Popular Links

x