Thursday, October 08, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চালুর দুই দিনের মাথায় আবার বন্ধ যমুনা সার কারখানার উৎপাদন

গ্যাস সংকটে প্রায় ৮ মাস বন্ধ থাকার পর গত সোমবার যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছিলো  

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ পিএম

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে যমুনা সার কারখানার উৎপাদন আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। আট মাস বন্ধ থাকার পর দুদিন আগে সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে কারখানাটিতে সার উৎপাদন শুরু হয়েছিলো।  

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে বয়লারে লিকেজ দেখা দেওয়ায় সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান মো. ফজলুল হক।

তিনি বলেন, “গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় গ্যাস পেয়ে সোমবার রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। বুধবার বিকেলে বয়লারের ত্রুটি দেখা দিলে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।”

বয়লারে সামান্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে কারখানার অন্যান্য যন্ত্রাংশ সচল রয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে বয়লারের সমস্যার সমধান হলে কারখানা উৎপাদনে ফিরতে পারবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে না পারলেও গত দুইদিন মোট ১,৬০০ টন সার উৎপাদন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে, গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ২৩ মাস কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ ছিল। এরপর চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি গ্যাস সংকটে আবারও কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়।

দৈনিক ১,৭০০ টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু হয় যমুনা সার কারখানার। তবে গত কয়েক বছর ধরে গ্যাসের স্বল্প চাপ ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কারখানাটিতে প্রতিদিন ১,২০০ থেকে ১,৪০০ টন সার উৎপাদিত হচ্ছিল।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত ১,৯০০ ডিলারের মাধ্যমে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে থাকে যমুনা সার কারখানা।

কারখানার কর্মকর্তারা জানান, স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ থাকলে প্রতি মাসে কারখানাটিতে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে মুনাফা থাকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও যন্ত্রপাতি সচল রাখতেও গ্যাস বিল দিতে হয় প্রায় ৬ কোটি টাকা।

   

About

Popular Links

x