মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়নের নার্সারী পুঞ্জিতে দুর্বৃত্তদের দ্বারা ফলবান ৮ হাজার পানগাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং আদিবাসী পানচাষীদের জীবন-জীবিকার সুরক্ষার দাবি জানান।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব সম্মুখে যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখা, কুবরাজ আন্তঃপুঞ্জি উন্নয়ন সংগঠন, খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (কেএসইউ), বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী অধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটি এবং ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ (ধরা)।
প্রতিবাদী মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ভুক্তভোগীরা মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন আদিবাসী ফোরামের মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি ফ্লোরা বাবলী তালাং এবং পরিচালনা করেন হেলেনা হীরামন তালাং।
এসময় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী অধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ডাডলি ডেরিক প্রেন্টিস, বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী অধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল হাসান, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল করিম কিম, বাসদ মৌলভীবাজার জেলা ইনচার্জ উজ্জ্বল রায়। বাংলাদেশ জাসদ মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি আ স ম ছালেহ সোহেল, মৌলভীবাজার উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সহ-সভাপতি রামেন্দ্র চন্দ্র দাস, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ নন্দী, খাসি স্টুডেন্ট ইউনিয়ন (কেএসইউ) সাধারণ সম্পাদক লেঞ্চার তংপেয়ার প্রমুখ।
সংহতি প্রকাশ করে আরও বক্তব্য রাখেন, আদিবাসী নেতা নারায়ণ কুর্মী, পংকজ কন্দ, জ্ঞান উরাং, লক্ষ্মণ মুন্ডা ও ফিলাহ পতমি প্রমুখ।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার বলেন, ‘‘পানগাছ কেটে ফেলার বিষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। তবে সবশেষ ঘটনা সম্পর্কে আমাকে জানানো হয়েছে। নার্সারি পুঞ্জিতে সুপারি ও পানগাছ কেটে ফেলার সঙ্গে জড়িতদের তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।’’



