বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় ওই শিশু নিখোঁজ হয়েছিল।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বড়বালুয়া গ্রামের ধান ক্ষেত থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, এটি হত্যাকাণ্ড তা প্রায় নিশ্চিত। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তাকে কিভাবে হত্যা করা হয়েছে সে ব্যাপারে জানা যাবে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের বড়বালুয়া গ্রামের রিনি বেগমের সঙ্গে বগুড়া সদরের ফাঁপোড় ইউনিয়নের কামারগাড়ি গ্রামের পলাশ মিয়ার বিয়ে হয়। সেখানে সংসার করাকালে ভুক্তভোগী শিশুর জন্ম হয়। এরপর পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করলে দেড় বছর আগে রিনি বেগমের বিচ্ছেদ হয়।
ছেলে শিশুকে নিয়ে মা রিনি বেগম তার বাবার বাড়িতে থাকাকালে ৭-৮ মাস আগে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দাড়িদহ ময়দানহাট্টা গ্রামের উজ্জ্বল হোসেনের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে হয়। এরপর থেকে উজ্জ্বল ও রিনি দম্পতি বড়বালুয়া গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশু থাকতো।
গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে ওই শিশু নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন সৎ বাবা উজ্জ্বল সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
বুধবার দুপুরে ভাড়া বাসার পূর্ব পাশে ধানক্ষেতে তার অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
সোনাতলা থানার ওসি কবির হোসেন জানান, তাৎক্ষণিকভাবে শিশুর নিখোঁজ ও হত্যারহস্য উন্মোচিত হয়নি। এসব ব্যাপারে তদন্ত চলছে। বিকেলে মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।



