কুমিল্লায় যুবদল নেতা মো. আবু কাউসারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা ছিলেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার ছত্রখিল এলাকায় কাউসারকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।
পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লার ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হলে সেখানে আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টায় তার মৃত্যু হয়।
কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত কাউছার স্থানীয় বিএনপি নেতা কবিরের ছোট ভাই। ছত্রখিল এলাকায় অবস্থানকালে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। হামলার পর কাউছার গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলে পড়ে ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু কাউসারের বন্ধু শামীমের একটি জমি নিয়ে স্থানীয় তৌহিদ ও তানজিলের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। এই নিয়ে পূর্বপরিকপ্লিতভাবে সালিশ বৈঠকের ডাক দেন উভয়পক্ষ। সালিশের জন্য ঘটনাস্থল ছত্রখিল এলাকায় যান আবু কাউসার। এ সময় তৌহিদ ও তানজিলসহ কয়েকজন এসে অতর্কিত হামলা করে। এ সময় তারা যে অটোরিকশায় গিয়েছিল তার চালকও কাউসারকে এলোপাথাড়ি কোপায়। এতে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কাউসার।
মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব জানান, তৌহিদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিল। তারা স্থানীয়ভাবে জমির দালালি করেন। কেউ জমি বিক্রি করতে গেলে তারা চাঁদাবাজি করেন। আজকের ঘটনায় আমরা একজন যুবদল নেতাকে হারালাম না শুধু আমরা একটি নেতৃত্ব হারিয়েছি।
কুমিল্লার সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্ষ্য বলেন, “ঘটনাটি মর্মান্তিক। ঝামেলা থাকবে, এটার সমাধান হবে। তাই বলে একটা মানুষকে হত্যা করা খুবই দুঃখজনক। আমরা এর সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই।”
ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, লাশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।



